মাঠের প্রচার শেষ হলেও থেমে নেই ভার্চুয়ালে
প্রতীক বরাদ্দের পর ১০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হয়েছে টানা ২০ দিনের জমজমাট নির্বাচনি প্রচারণা । ফলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে এখন অপেক্ষায় প্রার্থী ও ভোটাররা।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রাখার বিধান রয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ৫৬ জন ভিআইপিসহ ভোট দিয়েছেন ৫০৬৭ বন্দি। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে প্রবাসী নিবন্ধনকারীদের মধ্যে রবিবার বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছিলেন পাঁচ লাখ ৩ হাজার ৪৪১ জন। আর ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে অপেক্ষায় আছেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। আর ভোটারদের রায় পেতে মুখিয়ে আছে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থেকে অংশ নেয়া প্রার্থীরা।
ইতিমধ্যেই জনসভা, জনসংযোগ ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাওয়ার পর্ব শেষ হয়েছে। ইশতেহার প্রকাশ ও নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটরদের রায় নিতে বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন তারা। কেউ আবার এসএমএস পাঠিয়েছেন। হোয়টসঅ্যাপসহ বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়েছেন ভোটের আরজি। দিয়েছেন ভয়েস কল। ব্যবহার করেছেন ডিজিটাল অ্যাডবক্স। পাশাপাশি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়েছেন ধুন্ধুমার।
সকাল ৭টায় প্রচারণা শেষ হলেও দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে পরোক্ষ ভাবে চলছে ভোটের প্রচারণা। প্রার্থী বা দল ভোট চেয়ে নতুন কোনো পোস্ট না দিলেও অনুসারী বা সমর্থকরা পোস্ট শেয়ার থেকে শুরু করে নানা ফটোকার্ড, ভিডিও শেয়ার করছেন। প্রায় প্রতিটি দলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সবশেষে দলীয় প্রধানদের জাতির উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করতে দেখা গেছে। সেই হিসেবে প্রচারণা বন্ধ হলেও নেটদূনিয়ায় যেন বেড়েছে ভোট চাওয়ার নানা কৌশল। এসবে উত্তাপ বাড়ছেই।
ডিবটেক/এসএম/এমইউ



