এগ্রিটেক ও বায়োইনফরমেটিক্স প্রসারে উদ্যোগ
বাকৃবিতে প্রথম প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
- কৃষি প্রকৌশল অনুষদের কম্পিউটার ল্যাবে নয়টি জটিল অ্যালগরিদমিক সমস্যা সমাধান করে ১৩টি দল
- বিএসসি ইন বায়োইনফরমেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বিআইই কার্নিভাল
- শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলজুড়ে প্রতিযোগিতা সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
কৃষিবিজ্ঞানের ঐতিহ্যবাহী গবেষণার সাথে ডেটা সায়েন্স, অ্যালগরিদম ও আধুনিক কম্পিউটেশনাল মেথডসের মেলবন্ধন ঘটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। কৃষি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রবর্তিত বিএসসি ইন বায়োইনফরমেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (বিআইই) ডিগ্রি প্রতিষ্ঠা উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘বিআইই কার্নিভাল’-এর উদ্বোধনী দিনে ৯ অক্টোবর, শুক্রবার এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অফিসের আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবে দুপুর ৩টায় প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। অনুষদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ আসরে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের অধ্যাপক মো. মোস্তাগীজ বিল্লাহ এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, মেধাভিত্তিক এ প্রতিযোগিতায় তিন সদস্যবিশিষ্ট মোট ১৩টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি দলকে অ্যালগরিদমিক চিন্তাভাবনা ও কোডিং দক্ষতার পরীক্ষা নিতে নয়টি জটিল আন্তর্জাতিক মানের সমস্যা সমাধানের জন্য দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে নিখুঁত সমাধান করা সমস্যার সংখ্যার ভিত্তিতে শীর্ষ তিনটি দলকে নির্বাচিত করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষাবর্ষ থেকে একজন করে বর্ষসেরা চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত হয়।
প্রতিযোগিতার প্রায়োগিক ও কারিগরি উদ্দেশ্য তুলে ধরে সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিন বলেন, তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং কৃষি প্রযুক্তির সাথে কম্পিউটিংয়ের কার্যকর মেলবন্ধন তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা হলেও ভবিষ্যতে এর পরিধি সম্প্রসারণ করে ময়মনসিংহ অঞ্চলের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যুক্ত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ের টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, জটিল গাণিতিক সমস্যার বাস্তবমুখী সমাধানের চর্চা শিক্ষার্থীদের গভীর বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও কোডিং দক্ষতাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে। কার্নিভালের দ্বিতীয় দিনে শ্রবণ প্রতিযোগিতা, ইন্টিগ্রেশন বি, দাবা, ধাঁধা সমাধান, পিলো পাসিং ও প্রীতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের মতো সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিনি কনফারেন্স কক্ষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে কার্নিভালের পর্দা নামবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ।
//ডিবিটেক/এসজেকে/এসএমপি/ডিপিও//





