দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষকদের বিশেষ ভাতা ও বিজ্ঞানের হাতে-কলমে পাঠদানের পরিকল্পনা
প্রাথমিকে চালু হচ্ছে প্রযুক্তিভিত্তিক ‘সায়েন্স টয়’
- দুর্গম ও চরাঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষকদের উৎসাহিত করতে বাস্তবভিত্তিক বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার
- শিশুদের বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তিপ্রকৌশলে আগ্রহী করতে আগামী বছর থেকে পাইলট প্রকল্পে ‘সায়েন্স টয়’ কার্যক্রম শুরু হবে
- ডিজিটাল মনিটরিং ও সাইবার ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে প্রক্সি শিক্ষক সংস্কৃতি বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আধুনিক বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বাস্তবমুখী প্রকৌশল ভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে নতুন এক যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকদের উৎসাহ দিতে ভৌগোলিক দূরত্ব ও যাতায়াত ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৩০ আগস্ট রংপুর পিটিআই অডিটোরিয়ামে রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এসব কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী বছর থেকে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তিগত চিন্তাভাবনা বিকাশে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে ‘সায়েন্স টয়’ কার্যক্রম চালু করা হবে। এর মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে বিজ্ঞান, গণনা ও প্রাথমিক প্রকৌশলের মূলনীতিগুলো খেলার ছলে শেখার সুযোগ পাবে। এছাড়া নতুন কারিকুলামে শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে আটটি ক্রীড়া কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিতে ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে পাঠদান পরিচালনার অপসংস্কৃতি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন ট্র্যাকিং ড্যাশবোর্ড ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে কার্যকর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ইসরাত জাহানসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
//ডিবিটেক/ এমটিএমপি/এসএমই/এমআইএসটি//





