রাশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইন ট্রায়ালে বাংলাদেশে ১ জন সহ নিহত ১৫
আমুর গ্যাস কমপ্লেক্সে বিস্ফোরণে বাংলাদেশ দূতাবাসের হটলাইন চালু
- গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণে নিহত ১৫; হতাহতদের তথ্য ও সহায়তায় দূতাবাসের ২৪ ঘণ্টার হটলাইন চালু
- সিনোপেক পরিচালিত আমুর কেমিক্যাল প্ল্যান্টে দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের জাকির নিহত, নিখোঁজ ১ এবং আহত ৭
- পাইপলাইন টেস্টিংকালে চেক ভালভ ফেটে অগ্নিকাণ্ডে বিভিন্ন দেশের অর্ধশতাধিক কারিগরি কর্মী আহত
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে 'আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে' (এজিসিসি) গ্যাস পাইপলাইনের পরীক্ষামূলক কাজ চলাকালে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের জাকির হোসেন নামে এক বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও এক বাংলাদেশি কর্মী নিখোঁজ এবং সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনায় হতাহত বাংলাদেশিদের তথ্য সংগ্রহ, পরিচয় শনাক্ত ও জরুরি সহায়তার জন্য মস্কোয় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ২৪ ঘণ্টার দুটি জরুরি হটলাইন (+৭৯১৬২৩২৩০১৫ এবং +৭-৯৮৯-১১৩-৯১-৬৯) চালু করেছে।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ বৃহস্পতিবার দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে তথ্য জানতে বা সহায়তার জন্য মস্কোয় বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেল ও দূতালয় প্রধান এবং শ্রম কল্যাণ উইংয়ের প্রথম সচিবের হটলাইন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করা যাবে। দূতাবাস রাশিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে উদ্ধার তৎপরতা ও আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করছে।
কূটনৈতিক ও কারিগরি সূত্রে জানা যায়, মস্কো থেকে প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার দূরে আমুর অঞ্চলে চীনা প্রতিষ্ঠান 'সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ'-এর অধীনে পরিচালিত ওই গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সের মূল গ্যাস পাইপলাইনে এই প্রকৌশলগত দুর্ঘটনা ঘটে। পাইপলাইনের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম (প্রেসার টেস্টিং) চলার সময় হঠাৎ পাইপলাইন ফেটে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই পাইপলাইনের সেফটি বা চেক ভালভ পুড়ে গিয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।
ভয়াবহ এই শিল্প দুর্ঘটনায় রাশিয়া, চীন, বাংলাদেশ, নেপাল, আজারবাইজান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তানের কারিগরি কর্মীসহ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনাস্থলের ধ্বংসস্তূপ ও বিষাক্ত ঘন ধোঁয়ার কারণে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং নিখোঁজ কর্মীদের সন্ধানে অনুসন্ধান চলছে।
//ডিবিটেক/ পিআর/এসএমই//





