নিরাপদ সড়ক চাই কর্তৃপক্ষের দাবি অভিনেতা পুরোপুরি সুস্থ আছেন
সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবরটি ভিত্তিহীন
- নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ খবরটিকে ভুল তথ্যের বিভ্রান্তি বলে নিশ্চিত করেন
- ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত এই বরেণ্য অভিনেতা সুস্থ আছেন বলে স্বজনদের দাবি
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনলাইন মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য তথ্য যাচাইয়ের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো না থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াই ঢাকাই সিনেমার নন্দিত অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়।
তবে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ জানিয়েছেন, ইলিয়াস কাঞ্চন ভালো আছেন। তার মৃত্যুর খবরটি পুরোটাই গুজব। লিটন এরশাদ জানান, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন ভালো আছেন। ভুল তথ্যে খবর ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।’ একই সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন খবরে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চনের স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনরা। তাদের মতে, নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য ছাড়া এ ধরনের গুজব ছড়ানো উচিত নয়।
এর আগে ইলিয়াস কাঞ্চনের পরিবারও বিভিন্ন সময়ে তার মৃত্যুর খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছিল। ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত এই বরেণ্য অভিনেতা বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
১৫ মাসেরও বেশি সময় লন্ডনে চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ৩ আগস্ট দেশে ফিরেছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতেই দেশে ফেরেন তিনি। দেশে ফেরার পর তার সঙ্গে দেখা করেন চলচ্চিত্রের সহকর্মী আলমগীর, মিশা সওদাগর, শবনম, আনোয়ারা, সুচন্দা, রোজিনা, চম্পাসহ অনেকে।
গত ৭ আগস্ট রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত নিসচার ১১তম মহাসমাবেশেও যোগ দেন ইলিয়াস কাঞ্চন। পরে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে তার কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল।
দেশে ফেরার পর নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়েও সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছিলেন এই অভিনেতা। গত ৯ আগস্ট রাতে তিনি বলেছিলেন, দেশে ফেরার পর নিজেকে কিছুটা বেশি স্বস্তিতে অনুভব করছেন। সবার সঙ্গে দেখা করা ও কথা বলতে তার ভালো লাগছে। একই সঙ্গে দ্রুত চিকিৎসা শেষ করে দেশে ফিরতে সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন তিনি।
ইলিয়াস কাঞ্চনের ছেলে মিরাজুল মইন জয়ও বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। বাবাকে হাসিখুশি দেখে নিজের ভালো লাগার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আব্বুর মুখের হাসিটাই আমার প্রাণ। আব্বুকে হাসিখুশি দেখে আমারও ভালো লাগছে।’
প্রযুক্তি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে আরও সচেতনতা বজায় রাখার জোর দাবি জানানো হয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে।
//ডিবিটেক/ এসএমপি/ জেএনও/ইএমএস//





