শাহজালাল বিমানবন্দরের অপারেশনে প্রযুক্তি ও প্রকৌশলবিদ্যার নতুন সম্ভাবনা তৈরি

থার্ড টার্মিনালে প্রগতির ছোঁয়া: জাপানি প্রস্তাব

  • শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালের অপারেশন পরিচালনায় জাপানি সাব ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রস্তাব 
  • প্রকৌশল ও কারিগরি মান যাচাই শেষে আর্থিক প্রস্তাবটি মূল্যায়ন করবে যৌথ কমিটি
  • সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত করা হতে পারে

থার্ড টার্মিনালে প্রগতির ছোঁয়া: জাপানি প্রস্তাব
২৬ আগষ্ট, ২০২৬ ০০:০০  
২৬ আগষ্ট, ২০২৬ ১৩:০৩  

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, আধুনিক প্রকৌশল ও অনলাইন ব্যবস্থার সমন্বয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। নতুন এই প্রকল্পের আওতায় থার্ড টার্মিনালের অপারেশন ও মেনটেইন্যান্স কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দাখিল করেছে জাপানি কোম্পানি সাব ওয়ার্কিং গ্রুপ।

প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ সাব ওয়ার্কিং গ্রুপের মাসাহিরু হিরাই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকের কাছে এ প্রস্তাব জমা দেন। ২৬ আগস্ট, বুধবার বেবিচকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রস্তাব দাখিলের সময় জাপানি ওই কোম্পানি কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব সংবলিত আলাদা নথিপত্র জমা দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবটি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় গঠিত আরএফভি ইভালুয়েশন কমিটির মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে।

বেবিচক ছাড়াও অর্থ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা এই কমিটিতে রয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মূল্যায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথমে কারিগরি দিক এবং পরে আর্থিক প্রস্তাব মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়ন শেষে প্রয়োজনীয় আলোচনা ও সমঝোতা সফল হলে তা চুক্তির পর্যায়ে যাবে।

জাপানি প্রস্তাব সম্পর্কে অবহিত বেবিচকের এক কর্মকর্তা ২৬ আগস্ট, বুধবার গণমাধ্যমকে জানান, কারিগরি প্রস্তাবের মূল্যায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। আর আর্থিক প্রস্তাবের মূল্যায়ন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে বৃহস্পতিবার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আগে যেভাবে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল তার ব্যত্যয় না হলে শিগগিরই চূড়ান্ত চুক্তি হতে পারে এবং তা সর্বোচ্চ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর এই টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে নানা ধাপে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের পর ডিসেম্বরের মধ্যে টার্মিনালটি চালুর ঘোষণা দেয়া হয়। অনলাইন ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সরকার জাপানি প্রতিষ্ঠানটিকে দায়িত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যার ধারাবাহিকতায় এই প্রস্তাব দাখিল করা হলো।
//ডিবিটেক/এনএপি/বিএনও/ইএমএস//