প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পাঁচ দিনের এআই ও সাইবার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নাগরিক সেবা ও প্রশাসন আধুনিকায়ন
- প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও নাগরিক সেবা সহজীকরণে এআই প্রযুক্তি প্রয়োগের তাগিদ
- শিগগিরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়ন ও কর্মকর্তাদের জন্য এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরির উদ্যোগ
- পাঁচ দিনব্যাপী এআই ও সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ শেষে কর্মকর্তাদের সনদ বিতরণ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে নাগরিক সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (জিআইইউ) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ইডিজিই (EDGE) প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। ২৪ আগস্ট, সোমবার 'স্ট্র্যাটেজিক ইউজ অব এআই টুলস অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি ফর পিএমও অফিসিয়ালস' শীর্ষক এ প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, "বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে সরকার আরও দ্রুত ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প নয়, বরং মানুষের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী সহায়ক হাতিয়ার। প্রযুক্তি কখনো মানুষের প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের বিকল্প হতে পারে না; বরং এটি প্রজ্ঞাতাড়িত সিদ্ধান্ত গ্রহণে কর্মকর্তাদের সহায়তা করবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষের দক্ষতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতাকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে কার্যকর 'হিউম্যান-এআই কোলাবোরেশন' নিশ্চিত করাই ভবিষ্যৎ লক্ষ্য।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা জানান, দাফতরিক কাজের সময় ও শ্রম কমাতে শিগগিরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত একটি সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি কর্মকর্তাদের কাজের সুবিধার্থে একটি স্বতন্ত্র 'এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট' তৈরির কাজও এগিয়ে চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সরকারের সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাইবার নিরাপত্তা ও এআই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
//ডিবিটেক/ডিআইপি/এসএমই//





