১২ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী উদ্ভাবন মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইনোভেশন ফেয়ার আয়োজনে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি বৈঠক

  • ১২-১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রকৌশলীদের যৌথ প্রস্তুতি সভা।
  • তিন ফ্লোর জুড়ে ১৫টি পলিসি সেশন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিতের সিদ্ধান্ত।

ইনোভেশন ফেয়ার আয়োজনে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি বৈঠক
২৪ আগষ্ট, ২০২৬ ১৮:৩২  

আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনব্যাপী 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬' সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতিমূলক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ আগস্ট, সোমবার বিকেলে ঢাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই মেগা প্রযুক্তি ইভেন্টটির শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও সম্প্রচার, বিদ্যুৎ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা ওয়াসা, ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল প্রকৌশলী দল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই ইভেন্টটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর কর্তৃপক্ষ।

বিগত আয়োজনের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে এবারের আয়োজনকে সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত ও নির্বিঘ্ন করতে আধুনিক অবকাঠামো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, প্রকৌশল নিরাপত্তা এবং দর্শক ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রদর্শনীর পরিধি বাড়িয়ে এবার মূল ভবনের ৩টি ফ্লোর এবং পেছনের মাঠসহ বিস্তৃত প্রাঙ্গণে ইভেন্টটি আয়োজিত হবে। প্রতিটি ফ্লোরের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও কারিগরি ফিটিং নিশ্চিত করতে গণপূর্ত বিভাগকে এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ মনিটরিংয়ের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ (পিডিবি) ও প্রকৌশলী দলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে মূল মিলনায়তন ও রাউন্ড টেবিলে প্রায় ১৫টি পলিসি ডায়ালগ ও বিজ্ঞানভিত্তিক সেশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, শিক্ষক ও শীর্ষ নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেবেন। এছাড়া অর্থনীতিবিদ, তপন চৌধুরীর মতো জ্যেষ্ঠ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিকাশ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রতিনিধি এবং বিদেশি কূটনীতিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। বিপুল জনসমাগম বিবেচনায় রেখে কার্যকর ট্রাফিক কন্ট্রোল, আধুনিক স্যানিটেশন ও সামগ্রিক নিরাপত্তার সমন্বিত প্রকৌশল পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।
//ডিবিটেক/এমএমএ/এসএমই//