কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্ট্যানফোর্ডে রুয়েটের দুই শিক্ষার্থীর গবেষণা সাফল্য

স্ট্যানফোর্ডে রুয়েটের দুই সাবেক শিক্ষার্থী

  • বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে কাজ করছেন রুয়েট সিএসই বিভাগের দুই সাবেক শিক্ষার্থী।
  • তারা হলেন মো. আতিক আহমেদ এবং রাবেয়া তুস সাদিয়া।
  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপ লার্নিং ও মেডিকেল ইমেজিং প্রযুক্তির উন্নয়নে তারা অবদান রাখছেন।

স্ট্যানফোর্ডে রুয়েটের দুই সাবেক শিক্ষার্থী
২২ আগষ্ট, ২০২৬ ১২:২৪  

বিশ্বখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষক (পোস্টডক) হিসেবে কাজ করছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সাবেক দুই শিক্ষার্থী—মো. আতিক আহমেদ ও রাবেয়া তুস সাদিয়া। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রযুক্তির বহুমুখী প্রয়োগভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।

উভয়েই রুয়েটের সিএসই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কেন্টাকি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। মো. আতিক আহমেদ বর্তমানে স্ট্যানফোর্ডে রেডিয়েশন ফিজিক্স বিষয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা করছেন। তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র ডিপ লার্নিং, মাল্টিমোডাল লার্নিং এবং তথ্যনির্ভর এআই সলিউশন। পিএইচডি চলাকালে তিনি গুগলে প্রায় ৯ মাস ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করেন এবং তাঁর গবেষণা নেচার কমিউনিকেশনস, আইসিএমএল, এএএআই ও কেডিডি-র মতো শীর্ষ সারির সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

অন্যদিকে, রাবেয়া তুস সাদিয়া বর্তমানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনে পোস্টডক্টরাল স্কলার হিসেবে কর্মরত। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র হলো এআই, মেডিকেল ইমেজিং এবং সার্জিক্যাল ভিডিও অ্যানালাইসিস। তিনি সার্জন ও গবেষকদের সাথে সমন্বয় করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বাস্তব স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে কাজ করছেন।

নিজের এই সাফল্য প্রসঙ্গে রাবেয়া তুস সাদিয়া জানান, কেন্টাকিতে পিএইচডি চলাকালীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা এবং একাধিক টেকনিক্যাল ইন্টারভিউ ও উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে তিনি নির্বাচিত হন। রুয়েট থেকে গড়ে ওঠা মৌলিক ভিত্তিকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি জুনিয়র শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখার এবং ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে প্রতিনিয়ত নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। বিশ্বমঞ্চে এই দুই গবেষকের সাফল্য দেশের প্রযুক্তি ও প্রকৌশল খাতের শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিরাট অনুপ্রেরণা।
//ডিবিটেক/টিসিও/এমআইএস//