গবেষণা ও উদ্ভাবনে জোর বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের সচিবের

মশা দমনে চাই সমন্বিত প্রযুক্তি

  • বাংলাদেশ সচিবালয়ে মশক নিধনে গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় শোকেসিং সভা অনুষ্ঠিত হয়
  • মশার জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর হস্তক্ষেপে আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আহ্বান জানান সচিব আনোয়ার হোসেন
  • সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি যাচাই করে পাইলট প্রকল্পের

মশা দমনে চাই সমন্বিত প্রযুক্তি
৮ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫৫  

মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে কোনো একক কার্যকর পদ্ধতি নেই মন্তব্য করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই এ ধরনের রোগ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এ লক্ষ্যে গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত সহযোগিতাকে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

৮ জুলাই, বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মশক নিধনে গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন বিষয়ক শোকেসিং পর্যালোচনা উপলক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সচিব আরও বলেন, গবেষণায় সফলতা অর্জনের জন্য গবেষকদের দৃঢ় অঙ্গীকার, নিষ্ঠা এবং লক্ষ্যভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা অপরিহার্য, এবং একটি সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে গবেষণা পরিচালিত হলে তার বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ফলাফল পাওয়া সম্ভব। তিনি মশার জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে আধুনিক ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গবেষণালব্ধ সম্ভাবনাময় প্রযুক্তিগুলো যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে পরীক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় অংশগ্রহণকারী গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কৌশল গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর মতামত প্রদান করেন। এ সময় কার্যকর মশক নিধনে সম্ভাব্য নতুন প্রযুক্তি, গবেষণার অগ্রগতি এবং উদ্ভাবনী ধারণাসমূহের ওপর পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা ও বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ আশরাফ আলী ফারুকসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, আইসিডিডিআরবি ও আইইডিসিআর-এর অধ্যাপক ও গবেষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ড. মুর্শিদা খান। এছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে বাংলা কিউআর পেমেন্ট ব্যবস্থা বিষয়ক সভায় সচিব বাংলা কিউআর ব্যবাহরে সবাইকে সক্রিয় হাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক কোনো কারণে ভিসা বা মস্টারকার্ড বন্ধ হলেও বাংলা কিউআর এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লেনদেনে কোনো বাধা থাকবে না। দেশীয় এই প্রযুক্তিটি দ্রুতই সবগুলো ফিনটেক প্লাটফর্মেই যুক্ত হবে বলেও আশাবাদী সচিব। এই সভায় বাংলা কিউআর বিষয়ে একটি উপস্থাপনা পেশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ রাশেদ।    

//ডিবিটেক/এমএএএম/এসএমআই//