শিক্ষার মানোন্নয়নে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা, পরিচ্ছন্ন টয়লেট ও শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব

প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি বসানোর উদ্যোগ: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কঠোর মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি বসানোর উদ্যোগ: শিক্ষামন্ত্রী
৬ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৮  
৬ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪২  

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এর পাশাপাশি একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করা হবে, যেখান থেকে যেকোনো সময় শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

৬ জুলাই, সোমবার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত ও কার্যকর পাঠদান হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এ জন্য প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয়ভাবে তা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত পরিবেশের প্রসঙ্গ তুলে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেট অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সেগুলো ব্যবহারে অনীহা প্রকাশ করেন। তাই দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টয়লেট পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না।

শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার প্রকৃত মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষকদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা কাঠামো এমনভাবে সংস্কার করতে হবে, যাতে মেধাবীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিক্ষকতা পেশায় আসতে আগ্রহী হন।

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহজাহান মিয়া এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

অনুষ্ঠানে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

//ডিবিটেক/এএস/এমআই//