বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে যবিপ্রবির ১২ পদক্ষেপ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে যবিপ্রবির ১২ পদক্ষেপ
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৫০  

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১২টি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৩তম রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গঠিত কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখা হবে এবং জানালা-দরজা খোলা রেখে আলো ব্যবহার করা হবে। বিদ্যমান বৈদ্যুতিক আলোর অর্ধেক ব্যবহার করা হবে এবং অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার এড়িয়ে চলা হবে। অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা হবে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করা হবে, তবে বিশেষ ল্যাবে সীমিত ব্যবহার করা যাবে এবং তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখা হবে।

এছাড়াও অফিস ত্যাগের সময় কক্ষের বাতি, ফ্যানসহ সব যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা হবে এবং অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এসি বন্ধ রাখা হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় লাইট ব্যবহার বন্ধ রাখা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বত্র বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে এবং যাবতীয় আলোকসজ্জা পরিহার করা হবে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গ্যালারি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হবে, তবে বিশেষ প্রয়োজনে সীমিত এসি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী মনিটরিং কমিটি দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি করবে। জ্বালানি সংকটের তীব্রতা অনুযায়ী দূরপাল্লার পরিবহন সীমিত রাখা হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের সামনে স্ট্যান্ড ব্যানার স্থাপন এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যবিপ্রবি জানিয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষিতে শিক্ষা, গবেষণা ও দৈনন্দিন কার্যক্রম চালাতে এ পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।  

ডিবিটেক/এমএনএইচ/ইকে