যুক্তরাজ্যে ভ্রমণে চালু হলো পূর্ণাঙ্গ 'ই-ভিসা'
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টে ভিসা স্টিকারের পরিবর্তে ই-ভিসা ব্যবহার করা হবে। কিভাবে এই ভিসা মিলবে এবং ব্যবহার করা যাবে তার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে। তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে www.gov.uk/eVisa ভিজিট করতে অনুরোধ করেছে ঢাকার যুক্তরাজ্য হাইকমিশন।
৭ ফেব্রুয়ারি, শনিবার কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থা এখন সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হচ্ছে। এর ফলে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যাদের যুক্তরাজ্যে ভিসা প্রয়োজন তাদের কেবল ই-ভিসা প্রদান করা হবে।
সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ভিজিট করে জানাগেছে, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থায় এক আমূল পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। এখন থেকে প্রচলিত কাগজের নথিপত্র বা ফিজিক্যাল ইমিগ্রেশন ডকুমেন্টের পরিবর্তে যাত্রা শুরু করল ডিজিটাল 'ই-ভিসা' (eVisa)। ইতিপূর্বেই বায়োমেট্রিক রেসিডেন্স পারমিট (BRP) ব্যবস্থার ইতি টেনে তা ই-ভিসায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। এখানে ক্লিক করে ই-ভিসার আবেদন করা যাবে।
যা যা বদলে যাচ্ছে
ব্রিটিশ সরকারের নতুন এই নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এখন থেকে আর পাসপোর্টে কোনো স্টিকার বা সিল (Vignette) দেওয়া হবে না। ই-ভিসা পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করবে নিচের নথিগুলো:
-
বায়োমেট্রিক রেসিডেন্স কার্ড (BRC)
-
পাসপোর্টে ব্যবহৃত ওয়েট ইঙ্ক স্ট্যাম্প (Wet ink stamps)
-
ভিসা স্টিকার বা ভিনিয়েট (Vignettes)
সাধারণত, যুক্তরাজ্যে থাকার জন্য নতুন কোনো ভিসার আবেদন সফল হলে আবেদনকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ই-ভিসা পেয়ে যাবেন।
ই-ভিসা ব্যবহারের নিয়ম
ডিজিটাল এই ভিসার মাধ্যমে প্রবাসীরা তাদের অভিবাসন স্ট্যাটাস অনলাইনে যাচাই করতে পারবেন। নতুন চাকরি শুরু করা কিংবা বাসা ভাড়ার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ 'শেয়ার কোড' (Share Code) ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের ভিসার প্রমাণ দেওয়া যাবে। তবে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ই-ভিসার সাথে অবশ্যই পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্টের তথ্য যুক্ত থাকতে হবে।
কীভাবে পাওয়া যাবে এই সেবা?
ই-ভিসা সুবিধা পেতে হলে প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে 'ইউকে ভিসা অ্যান্ড ইমিগ্রেশন' (UKVI)-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। যাদের আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট আছে, তারা সরাসরি এটি ব্যবহার করতে পারবেন। আর যাদের নেই, তাদের নতুন করে অ্যাকাউন্ট সেট-আপ করে নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, ইউকেভিআই (UKVI) অ্যাকাউন্ট খোলা বা ই-ভিসা ব্যবহারের জন্য ব্রিটিশ সরকারকে কোনো প্রকার ফি বা অর্থ প্রদান করতে হবে না। এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
ডিবিটেক/এসএম/ইকে



