প্রকৌশল বিদ্যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে তাগিদ
আইইউটির ৩৮তম সমাবর্তনে ৬৫৯ গ্র্যাজুয়েটকে ডিগ্রি প্রদান
- ১৫টি ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ৭টি স্বর্ণপদক প্রদান
- শিক্ষা ও গবেষণার উদ্ভাবন কারখানা, খামার ও প্রান্তিক মানুষের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান
<
আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রকৌশল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহার এবং মুসলিম উম্মাহর যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন
এবারের সমাবর্তনে ৬২৬ জন স্নাতক ও ৩৩ জন স্নাতকোত্তরসহ (২ জন পিএইচডি, ২৩ জন এম.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও ৮ জন এম.এসসি টিই) মোট ৬৫৯ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪৮২ জন ছাত্র ও ১৭৭ জন ছাত্রী রয়েছেন। দেশীয় ৬২৬ জন গ্র্যাজুয়েটের পাশাপাশি ওআইসির ১৫টি সদস্য রাষ্ট্রের ৩৩ জন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ডিগ্রি লাভ করেন। অ্যাকাডেমিক ফলাফলে অনন্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ ৩.৯৯৪ সিজিপিএ নিয়ে ওআইসি স্বর্ণপদক অর্জন করেন সিএসই বিভাগের সুমাইয়া আহমেদ রানী। এছাড়া আশফাক সিরাজ শুভ (এমই), মুহাম্মদ শাফায়াত জামিল (ইইই), খালিদ হাসান আদর (এসডব্লিউই), আদিবা জাহিন (সিই), ফারহান লাবিব (বিবিএ-টিএম) এবং তাসফিয়া মাহমুদকে (আইপিই) আইইউটি স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। বিভাগওয়ারী গ্র্যাজুয়েটের মধ্যে সিএসইতে ১৫৫, ইইইতে ১৪৯, এমপিইতে ১৪৭, সিইইতে ১২৬, বিটিএমে ৫৭ এবং টিভিইতে ২৫ জন শিক্ষার্থী ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আধুনিক বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে
শিক্ষামন্ত্রী আইইউটির প্রতিষ্ঠাকালীন ইতিহাস স্মরণ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন, যিনি ১৯৮১ সালের ২৭ মার্চ ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত ও তৎকালীন ওআইসি মহাসচিব ড. হাবিব চাত্তিকে সাথে নিয়ে গাজীপুরের এ ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন
আইইউটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, ওআইসির মহাসচিবের প্রতিনিধি এবং গভর্নিং বোর্ডের সদস্যবৃন্দ
//ডিবিটেক/এমএসআই/বিপিও/এমআইএসটি//





