তরুণদের নিকোটিন আসক্তি ঠেকাতে কঠোর আইন চান শিক্ষার্থীরা
ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধের দাবি
- ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচের বিক্রি, বিপণন, আমদানি ও রপ্তানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা
- তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন নিয়ে ঢাকায় আয়োজিত কর্মশালায় ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন
- তরুণদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বক্তারা
বাংলাদেশে ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচের বিক্রি, বিপণন, আমদানি ও রপ্তানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তরুণদের মধ্যে এসব পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ঢাকার ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা এ দাবি জানান। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০২৬ নিয়ে তরুণদের জন্য এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, তামাকশিল্পের বিভ্রান্তিকর প্রচারণার কারণে তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেটের ব্যবহার বাড়ছে। তাঁদের মতে, এসব পণ্য নতুন প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তরুণদের সুরক্ষা এবং তামাকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
কর্মশালায় বক্তারা তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব, তামাক নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা এবং ২০২৬ সালের সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিধান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে তরুণদের সক্রিয় ও অর্থবহ অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা সংশোধিত আইনের বিভিন্ন বিধান ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে আরও কার্যকর করতে তরুণদের ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। আইন প্রণয়নের পর বিভিন্ন পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম, সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ এবং এসব ক্ষেত্রে তরুণদের করণীয় সম্পর্কেও অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।
তামাকজাত পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা।
কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতের উপপরিচালক মুখলেসুর রহমান, সিটিএফকের আবদুস সালাম মিয়া এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়ক শরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।
//ডিবিটেক/এসএমই/এমএসআই//





