ফরচুন তালিকায় ২৩২তম স্থানে শাওমি
- ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ২৩২তম স্থানে শাওমি
- ৩-ন্যানোমিটার এক্সরিং ০১ চিপ উন্মোচনের প্রযুক্তিগত সফলতা
- রেডমি নোট বিক্রির মাইলফলক ৫০ কোটি অতিক্রম
নিজেদেরর তৈরি ৩-ন্যানোমিটার প্রযুক্তির এক্সরিং ০১ ফ্ল্যাগশিপ চিপসেট উন্মোচনের পর বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি ২০২৬ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টর প্রকৌশলে তাদের অগ্রগতির প্রতিফলন ঘটিয়েছে। ২০১৯ সালে সর্বকনিষ্ঠ কোম্পানি হিসেবে ৪৬৮তম স্থানে তালিকার্ভুক্ত হওয়ার পর ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ছিল ২৯৭তম।
১৮ আগস্ট, মঙ্গলবারে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য দিয়েছে শাওমির বাংলাদেশ।
শাওমি তাদের এআই ও হাইপারওএস সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটিরও বেশি কানেক্টেড ডিভাইস নিয়ে কনজ্যুমার এআইওটি মার্কেটে এক নম্বর স্থানে রয়েছে। অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে শাওমির এসইউ৭ ও ওয়াইইউ৭ মডেলের পাশাপাশি নতুন চালক ও যাত্রী বান্ধব ‘স্কাইনোম্যাড’ ইলেকট্রিক কার বাজারে সাড়া ফেলেছে। পাশাপাশি রেডমি নোট সিরিজ বিগত ১২ বছরে ৫০ কোটিরও বেশি স্মার্টফোন বিক্রির মাইলফলক স্পর্শ করেছে। বর্তমানে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি বাজারে শাওমির 'হিউম্যান × কার × হোম' ইকোসিস্টেম প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী জানান, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির ফলে তাদের ফরচুন তালিকায় এই ধারাবাহিক অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, স্মার্টফোন, এআই, স্মার্ট হোম ও ইন্টেলিজেন্ট মোবিলিটির মাধ্যমে একটি কার্যকর ইন্টারকানেক্টেড ইকোসিস্টেম তৈরি করে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করাই শাওমির মূল লক্ষ্য।
//ডিবিটেক/এমআরএম/এসএমই//





