২৫টি বিমান নিয়ে সাফল্যগাঁথার ১২ বছর সম্পন্ন করল বিমান সংস্থাটি
এক যুগ পেরিয়ে ১৩ বছরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস
- ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস সফলতার এক যুগ পূর্ণ করে ১৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
- বর্তমানে ২৫টি এয়ারক্রাফট নিয়ে ২০টি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট চলছে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে নিউইয়র্ক, টরন্টো ও সিডনিতে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস সাফল্যের ১২ বছর পূর্ণ করেছে। এক যুগপূর্তি শেষে এয়ারলাইনসটি ১৩তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
২০১৪ সালের ১৭ জুলাই একটি ড্যাশ ৮-কিউ ৪০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে তিনটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, নয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০-সহ মোট ২৫টি এয়ারক্রাফট রয়েছে, যা দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থার মধ্যে সর্ববৃহৎ। যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশেরও বেশি অন-টাইম ফ্লাইট পরিচালনার অনন্য রেকর্ড ধরে রেখেছে এই সংস্থা। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে মোট ২০টি গন্তব্যে ডানা মেলছে ইউএস-বাংলা।
এই যুগপূর্তি ও ১৩তম বর্ষে পদার্পণের গৌরবময় ঘটনাটি ২০২৬ সালের ১৭ জুলাই, শুক্রবার উদযাপিত হয়। দীর্ঘ এই পথচলায় যাত্রীসেবায় অনন্য নজির স্থাপন করায় ইউএস-বাংলা দেশীয় এয়ারলাইনস হিসেবে যাত্রীদের কাছে গভীর আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এটি স্বাধীনতার পর প্রথম কোনো দেশীয় বিমান সংস্থা, যা চীনের কোনো গন্তব্যে বা ভারতের চেন্নাই কিংবা মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বর্তমানে দেশে-বিদেশে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বেকার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখছে এবং নিয়মিত ট্যাক্স ও সারচার্জ পরিশোধ করে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন এক যুগপূর্তি উপলক্ষে বলেন, "প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমরা যেকোনো ধরনের প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে প্রস্তুত। বর্তমান বিশ্বে যাত্রীদের সঠিক সেবা প্রদান করার জন্য আধুনিক এয়ারক্রাফটের কোনো বিকল্প নেই। ইউএস-বাংলা যাত্রীদের আরামদায়ক সেবাকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত নতুন নতুন এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত করে চলেছে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে ইউএস-বাংলা পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।" তিনি আরও বলেন, "ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের সাফল্যেভরা ১২টি বছরের সঙ্গে যে সকল সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্ট, ট্যুর অপারেটর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিভিন্ন করপোরেট অফিস, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ, সর্বোপরি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত যে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে—তাদের সকলের প্রতি ইউএস-বাংলা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।"
//ডিবিটেক/ ডিএপি/এসএমই//





