এসডিজি অর্জনে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ
জাতিসংঘে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির
- জাতিসংঘে এসডিজি বাস্তবায়নে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান
- স্থিতিশীলতার জন্য 'থ্রি-আর' কৌশল বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ
- শিক্ষা, সবুজ শিল্প ও কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির তাগিদ
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জন ও তা ত্বরান্বিত করার জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।
১৪ জুলাই, মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামের (এইচএলপিএফ) সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের জাতীয় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকার দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে ‘রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ (থ্রি-আর) কৌশল বাস্তবায়ন করছে। এই নতুন কৌশলগত রূপরেখা দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ শিল্পের সম্প্রসারণে কাজ চলছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ জোরদার, জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা এবং কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ চালুর মাধ্যমে গ্রামীণ জীবিকা ও খাদ্যনিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
টেকসই উন্নয়নের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি অনুদান, সহজ শর্তে ঋণ, আধুনিক প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।
//ডিবিটেক/জেইউপিিএমআই//





