ক্যান্সার চিকিৎসা ও সেবার ডিজিটাল ক্লিনিক উদ্বোধন
ক্যান্সর সচেতনতায় স্বল্প দৈর্ঘ্যের চরচ্চিত্র প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করার সঙ্গে উদ্বোধন করা হলো ক্যান্সার চিকিৎসা ও সেবার ডিজিটাল ক্লিনিক। ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সন্ধ্যায় এটি উদ্বোধন করা হয।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মলিকুলার অনকোলজিস্ট এবং সিসিআরটিবির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. মুশতাক ইবনে আয়ুব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও কোষাধ্যক্ষ মো. কামরুল ইসলাম। আরও বক্তব্য রাখেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য কাজী মো. জামশেদ ও অধ্যাপক হাফিজ খান।
অনুষ্ঠানে ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকরাম হোসেন, অধ্যাপক হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন, অধ্যাপক আমীরুল মোরশেদ খসরু অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট জিন বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা মসিহ উদ্দিন শাকের এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মো. রুমান শিকদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন CCRTB-এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য ও কোষাধ্যক্ষ মো. কামরুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন CCRTB-এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সদস্য কাজী মো: জামশেদ ও অধ্যাপক হাফিজ খান।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ক্যান্সার বিষয়ক শর্ট ফিল্ম নির্মাতা তিনজন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- "দূরত্ব" শর্ট ফিল্ম এর জন্য চ্যাম্পিয়ন সীমান্ত বড়ুয়া, "আলোর দিকেই" এর নির্মাতা মোঃ জসিম উদ্দিন ইমন ১ম রানারআপ এবং "বাঁচতে চাই" শর্ট ফিল্ম এর জন্য শিখা রোয়াজা ২য় রানারআপ। সচেতনতামূলক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্যান্সার সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে এবং রোগ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা মত দেন। তারা বলেন, চলচ্চিত্রের শক্তিশালী ভাষা ও গল্প বলার মাধ্যম মানুষকে সহজে সম্পৃক্ত করতে পারে, যা ক্যান্সার সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর।
দ্বিতীয় পর্বে ক্যান্সার রোগীদের স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদানের জন্য একটি ডিজিটাল ক্লিনিক উদ্বোধন করা হয়। CCRTB-এর তৈরি ডিজিটাল ক্লিনিক প্ল্যাটফর্মটি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে, যেখানে ক্যান্সার সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য, দিকনির্দেশনা ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন সহজ হবে। এই ডিজিটাল সমাধান ক্যান্সার সেবাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সাশ্রয়ী করে তুলবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটি বিশেষজ্ঞ জ্ঞান, সামাজিক দায়বদল উদ্যোগের একটি সফল সমন্বয় হিসেবে প্রশংসিত হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ ব্যবস্থাপনায় জনগণকে আরও সক্ষম করে তুলবে।
ডিবিটেক/এমইএ/ইকে



