পরমাণু খাতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রশংসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীর, এআরবি-কে সহযোগিতার আশ্বাস

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন এটমিক রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এআরবি)-এর নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে পরমাণু ও বিজ্ঞান সাংবাদিকতার পেশাগত উন্নয়ন এবং সংগঠনটিকে বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রশংসা করে মন্ত্রী এআরবি-র ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

পরমাণু খাতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রশংসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীর, এআরবি-কে সহযোগিতার আশ্বাস
৮ জুলাই, ২০২৬ ১১:২৬  

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন এটমিক রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এআরবি)-এর নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যরা। ৭ জুলাই, মঙ্গলবার রাজধানীর আইসিটি ভবনে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এআরবির প্রেসিডেন্ট শামীমা সুলতানার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংগঠনের সেক্রেটারি একেএম শরীফুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি জাহেদ সেলিম, ট্রেজারার মাহমুদুল হাসান, ট্রেনিং, রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি ফারুক ভূঁইয়া রবিন এবং নির্বাহী সদস্য মুজাহেরুল হক রুমেন ও আরিফুল সাজ্জাত উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের শুরুতে এআরবির নবনির্বাচিত কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী। মতবিনিময়কালে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, পেশাগত উন্নয়ন কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে এআরবির কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট শামীমা সুলতানা ও নির্বাহী সদস্য আরিফুল সাজ্জাত। এ সময় সংগঠনটিকে একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে তারা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরমাণু শক্তি খাতে দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এআরবির ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞানচর্চা এবং উদ্ভাবনের বিকাশ অপরিহার্য। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও বিশেষায়িত সাংবাদিকদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্যের সঠিক উপস্থাপন এবং গবেষণাভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরিতে এআরবি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনটি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এই ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং এআরবির বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সেই সাথে মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এআরবির আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এআরবির প্রেসিডেন্ট শামীমা সুলতানা বলেন, “সরকার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবীদের সমন্বিত উদ্যোগ দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে এবং এর সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। সাংবাদিকরা বিভিন্ন খাতের সমস্যা, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন, যা দেশের উন্নয়নকে আরও কার্যকর ও টেকসই করে তোলে।”

//ডিবিটেক/এসআই/ইকে//