বাজেটে টেলিকমে চাপ, নীতিসহায়তার দাবি
জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ টেলিকম ও প্রযুক্তি খাতের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ নীতিগত দিকনির্দেশনা নিয়ে অর্থ বছরের প্রথম দিন রাজধানীর বিডিবিএল ভবনে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১ জুলাই, বুধবার টেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি পলিসি অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্ম (টিপ্যাপ) আয়োজিত এ আয়োজনে খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনেরা অংশ নেন।
তারা জানান, সফটওয়্যারের ওপর বিদ্যমান ২০২৭ সাল পর্যন্ত ঘোষিত ছাড় বলবৎ থাকলেও নতুন বাজেটে এ নিয়ে কোনো নির্দেশনা না থাকাটা শঙ্কার। একইসঙ্গে ল্যাপটপের ওপর আমদানি শুল্ক কমালেও স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক বাড়ানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। মোটের ওপর এই বাজেটে টেলেকম খাতের জন্য স্বস্তির কিছু নেই।
সংবাদ সম্মেলনে টেলিকম বিশেষজ্ঞ মাহতাব উদ্দীন আহমেদ, শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাদিয়া হক, ড্রিম ৭১ এমডি রাশাদ কবির ও খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে মাহতাব উদ্দীন বলেন, যাদের হাতে স্মার্টফোন আছে তারা ওটিট বা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। কিন্তু যেসহল গরীব বারফোন ব্যবহার করেন তারা ভোগান্তিতে আছেন। তাই যখন সর্বনিম্ন কল চার্জ বেধে দেয়া হয় সেটা মূলত অপারেটরদের স্বার্থ রক্ষা করে। ভোক্তার অধিকার নষ্ট করে।
অনুষ্ঠানে টিপ্যাপের আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর বলেন, বাজেটে টেলিকম ও প্রযুক্তি খাতের ওপর আরোপিত বিভিন্ন আর্থিক ও নীতিগত সিদ্ধান্ত দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থানের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে—সেটি গভীরভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শিল্পখাতের সঙ্গে আরও সমন্বয় ও পরামর্শভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
//ডিবিটেক/আরএইচ/ইকে//





