সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী: মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় ডিএসএ-র ছায়া
|
বাংলাদেশের সংসদ ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে সাইবার সুরক্ষা আইন পাস করে, যার মূল লক্ষ্য ছিল বহুল সমালোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ (ডিএসএ)-এর বিতর্কিত উত্তরাধিকার থেকে বেরিয়ে আসা। কিন্তু আইনটি পাসের কয়েক মাসের মাথায় সরকার এমন কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব উত্থাপন করে, যা কার্যত ডিএসএ-র দমনমূলক বিধানগুলোকে নতুন আঙ্গিকে ফিরিয়ে আনছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মানহানিকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, “অপমান” ও “বুলিং”-এর মতো অস্পষ্ট অপরাধ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং “গুজব” ও “অপতথ্য” ছড়ানোর অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানের বিধান রাখা হচ্ছে। এই নীতি গবেষণা নিবন্ধটি প্রস্তাবিত সংশোধনীর খসড়া, নাগরিক সমাজের উদ্বেগ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা করে দেখিয়েছে কীভাবে এই খসড়াটি মুক্তমত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।
১. ভূমিকা
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে বহুল বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ বাতিলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাতীয় সংসদে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ পাস করা হয়। ডিএসএ দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধানী সাংবাদিক, লেখক, অধিকারকর্মী এবং সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১ জুলাই প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আইনটির বিতর্কিত ধারা ২০ বিলুপ্ত করা হয়। কিন্তু সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ আইসিটি বিভাগ একটি নতুন সংশোধনীর খসড়া প্রকাশ করে, যা পর্যালোচনার জন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়।
প্রস্তাবিত সংশোধনীতে মানহানি, অপমান, বুলিং, গুজব ও অপতথ্য সংক্রান্ত নতুন অপরাধ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; কনটেন্ট ব্লকিংয়ের নির্বাহী ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে; মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার বাড়ানো হয়েছে এবং জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল থেকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিত্ব বাদ দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনগুলো বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত চিন্তা, বিবেক ও বাক্-স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তির (ICCPR) ১৯ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
২. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮: অপব্যবহারের ইতিহাস
ডিএসএ কার্যত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬-এর বিতর্কিত ৫৭ ধারারই দমনমূলক ধারাবাহিকতা বহন করেছিল। ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কেবল ডিএসএ-র অধীনেই ৪,৫০০-এর বেশি মানুষ নিপীড়নের শিকার হন—যাদের বড় অংশই সাংবাদিক, বিরোধী রাজনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি। সাধারণ বৈঠকেও মানুষ মোবাইল ফোন সঙ্গে নিতে ভয় পেত; জনপরিসরে তৈরি হয়েছিল চরম আতঙ্কের পরিবেশ।
ক্লুনি জাস্টিস ফাউন্ডেশন ও সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের (CGS) যৌথ বিশ্লেষণে ৩৯৬ জন সাংবাদিক জড়িত এমন ২২২টি মামলা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আইনটিকে মূলত ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাংবাদিকদের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার এবং রিমান্ডে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ২০১৮ সালে আলোকচিত্রী শাহিদুল আলমকে ছাত্র আন্দোলনের সমালোচনার জেরে ৫৭ ধারায় গ্রেপ্তার করে ১০৮ দিন কারারুদ্ধ রাখা হয়। ময়মনসিংহে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে কিংবা রংপুর-রাজশাহীর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিএসএ-তে মামলা দিয়ে দীর্ঘ কারাবাসে বাধ্য করা হয়, যা পরবর্তীতে তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবন ধ্বংস করে দেয়।
২.১ মুশতাক আহমেদ: আইনের প্রাণঘাতী পরিণতি
ডিএসএ-র নির্মমতম শিকার ছিলেন লেখক ও ব্লগার মুশতাক আহমেদ। ২০২০ সালের মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করোনা মহামারি নিয়ে সরকারের ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। টানা ছয়বার জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনিই ডিএসএ-র অধীনে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুবরণকারী প্রথম ব্যক্তি। তাঁর সহ-অভিযুক্ত কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর দীর্ঘ নির্যাতন সহ্য করে জামিনে মুক্তি পান, যিনি পরবর্তীতে হেফাজতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে শ্রবণশক্তি হারানোর বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন।
২.২ সাংবাদিকতায় বিধ্বংসী প্রভাব
সিজিএস-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডিএসএ-র মোট মামলার ২৭.৪১ শতাংশই দায়ের হয়েছিল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে; যেখানে কমপক্ষে ৩৫৫ জন গণমাধ্যমকর্মীকে অভিযুক্ত করা হয়। “গুজব ছড়ানো” ও “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত”-এর মতো অস্পষ্ট ধারার সুযোগ নিয়ে কর্তৃপক্ষ যেকোনো গঠনমূলক সমালোচনাকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার অবাধ সুযোগ পেয়েছিল।
৩. প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬: ডিএসএ-র প্রত্যাবর্তন
সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রস্তাবিত খসড়াটি পর্যালোচনায় দেখা যায়, এটি কার্যত ডিএসএ-র দমনমূলক চরিত্রকেই পুনরুজ্জীবিত করছে। টিআইবি, ব্লাস্ট এবং আর্টিকেল ১৯-সহ ১৯টি নাগরিক সমাজ সংগঠন এক যৌথ বিবৃতিতে এই সংশোধনীকে ‘ডিএসএ-র চেয়েও বেশি প্রতিক্রিয়াশীল’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
-
ফৌজদারি মানহানি (ধারা ২৫): যৌন হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইল সংক্রান্ত ধারায় ‘মানহানি’ ও ‘অপমান’ যুক্ত করা হয়েছে। এতে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে (নারী ও শিশুর ক্ষেত্রে দ্বিগুণ)। পেনাল কোডের ৪৯৯ ধারায় দেওয়ানি প্রতিকার থাকা সত্ত্বেও ডিজিটাল মাধ্যমে এটিকে অজামিনযোগ্য ও কঠোর শাস্তির আওতায় আনা জনস্বার্থের সাংবাদিকতাকে সরাসরি রুদ্ধ করবে।
-
অপমান ও বুলিং (ধারা ২৫): “মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়া” বা “মানসিক অস্বস্তি”র মতো অত্যন্ত অনির্দিষ্ট ও সাবজেক্টিভ সংজ্ঞার ওপর ভিত্তি করে কাউকে কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এর ফলে যৌক্তিক রাজনৈতিক বিতর্ক, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বা ভোক্তার ন্যায্য অভিযোগকেও ‘বুলিং’ হিসেবে চিহ্নিত করার ঝুঁকি তৈরি হবে।
-
গুজব ও অপতথ্য (নতুন ধারা ২৬ক): এই ধারায় “অযাচাইকৃত তথ্য” ছড়ানোর দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। জরুরি দুর্যোগ, মানবাধিকার লঙ্ঘন বা দুর্নীতির ঘটনা তাৎক্ষণিক প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি সাংবাদিকদের জন্য চরম ফাঁদ হিসেবে কাজ করবে।
-
কনটেন্ট ব্লকিং ও তদারকিহীন ক্ষমতা (ধারা ৮): কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, বরং যেকোনো ক্ষমতাপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থা অপরাধের “সন্দেহ” থেকেই কনটেন্ট ব্লক করার নির্দেশ দিতে পারবে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়—ব্লক করা কনটেন্টের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশের বর্তমান আইনি বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে।
-
মোবাইল কোর্ট ও মানবাধিকার কমিশন বাদ: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত মোবাইল কোর্টকে সংক্ষিপ্ত বিচারে এসব অপরাধের শাস্তিদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা নিরপেক্ষ শুনানির পরিপন্থী। এছাড়া সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল থেকে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে বাদ দিয়ে কেবল সরকারি আমলাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং কর্মকর্তাদের কাজের ক্ষেত্রে ‘সৎ বিশ্বাসে’র নামে আইনি দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
৪. আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও তুলনামূলক পর্যালোচনা
-
ভারতের শ্রেয়া সিংঘল রায় (২০১৫): ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আইটি আইনের বিতর্কিত ৬৬ক ধারা বাতিল করে রায় দিয়েছিল যে, আইনের সংজ্ঞা যদি অস্পষ্ট হয় এবং তা মুক্তমত প্রকাশের ওপর ভীতি ছড়ায় (Chilling Effect), তবে তা অসাংবিধানিক। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত ‘অপমান’ ও ‘বুলিং’-এর ধারাগুলো শ্রেয়া সিংঘল নীতির সম্পূর্ণ বিরোধী।
-
সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা (POFMA): সিঙ্গাপুরের অনলাইন সুরক্ষা আইনে নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ থাকায় তা বিরোধী মত ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করেছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিত। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত খসড়ায় সিঙ্গাপুরের চেয়েও কম আইনি সুরক্ষা রাখা হয়েছে; কারণ এখানে কনটেন্ট ব্লকের বিরুদ্ধে স্বাধীন বিচারিক আপিলের কার্যকর সুযোগ রাখা হয়নি।
৫. প্রভাব মূল্যায়ন: কারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন?
-
সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী: ‘অযাচাইকৃত তথ্য’ প্রকাশের অজুহাতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ১০ বছরের কারাদণ্ডের খড়্গ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
-
লেখক, কার্টুনিস্ট ও গবেষক: ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন বা সাহিত্যচর্চাকে ‘অপমান’ হিসেবে চিহ্নিত করে আইনি হেনস্তার পথ সুগম হবে।
-
মানবাধিকার কর্মী ও সাধারণ নাগরিক: বিচারবহির্ভূত ঘটনার তথ্য নথিভুক্তকারীদের ‘গুজব রটনাকারী’ তকমা দিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ড দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
৬. নীতিগত সুপারিশমালা
১. প্রস্তাবিত সংশোধনী অবিলম্বে প্রত্যাহার: খসড়া সংশোধনীটি প্রত্যাহার করে গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজ, প্রযুক্তিবিদ ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অর্থবহ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ শুরু করতে হবে।
২. ধারা ২৫ থেকে মানহানি ও বুলিং বাদ দেওয়া: অনলাইন মানহানিকে ফৌজদারি অপরাধের বাইরে রাখতে হবে। পেনাল কোডের সাধারণ আইনি কাঠামোর বাইরে এটিকে টেনে এনে মতপ্রকাশ রুদ্ধ করা বন্ধ করতে হবে।
৩. প্রস্তাবিত ধারা ২৬ক বিলুপ্তকরণ: ‘গুজব’ ও ‘ফেক নিউজ’-এর অস্পষ্ট সংজ্ঞার আড়ালে মুক্ত সাংবাদিকতা দমনের ধারাটি পুরোপুরি বাতিল করতে হবে।
৪. কনটেন্ট ব্লকিংয়ে বিচারিক নজরদারি প্রতিষ্ঠা: স্বাধীন বিচারিক পরোয়ানা ব্যতীত নির্বাহী আদেশে কনটেন্ট ব্লক করা যাবে না এবং স্বচ্ছতার স্বার্থে ব্লককৃত তথ্যের সরকারি তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
৫. কাউন্সিল পুনর্গঠন ও মানবাধিকার কমিশন অন্তর্ভুক্তি: সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে মানবাধিকার কমিশন ও নাগরিক সমাজের স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং নির্বাহীদের স্বেচ্ছাচারী দায়মুক্তি বাতিল করতে হবে।
৬. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড নিশ্চিতকরণ: আইনটিকে আইসিসিপিআর-এর ১৯ অনুচ্ছেদ এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক অধিকার সনদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রূপ দিতে হবে।
উপসংহার
ডিএসএ-র অন্ধকার যুগ পেরিয়ে মুক্ত গণমাধ্যম ও গণতান্ত্রিক পরিসর নিশ্চিত করার যে ঐতিহাসিক সুযোগ বাংলাদেশের সামনে এসেছে, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ তার সম্পূর্ণ বিপরীত পথ নির্দেশ করছে। মুশতাক আহমেদের মর্মান্তিক আত্মত্যাগ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আইনের অস্পষ্ট ভাষা কীভাবে নাগরিকের জীবনের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। সাইবার অবকাঠামোর বাস্তব সুরক্ষার নামে নাগরিকদের সাংবিধানিক কণ্ঠরোধ করার এই অপচেষ্টা অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।
লেখক || আহ্বায়ক, ডিএসএ ভিকটিমস নেটওয়ার্ক; প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), সি-বিচ৭৭ লিমিটেড।
এডিটরস নোট || আলোচ্য নীতি গবেষণা নিবন্ধে প্রকাশিত পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ লেখকের নিজস্ব। দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মুক্তচিন্তা, মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকার সুরক্ষার স্বার্থে লেখাটি সম্পাদকীয় প্রমিতকরণসহ প্রকাশ করা হলো।





