জরুরি প্রয়োজনে সুরক্ষা কার্ডধারীরা পাবেন সর্বোচ্চ এক কিস্তির সমপরিমাণ অর্থ
যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তির সমপরিমাণ নগদ উত্তোলন
- সুরক্ষা কার্ডধারীরা সর্বোচ্চ এক কিস্তির সমপরিমাণ নগদ তুলতে পারবেন
- পণ্য কেনার প্লাজা ছাড়াও দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে অর্থ তোলা যাবে
- চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন প্রয়োজনে রয়েছে আরও নানা সুবিধা
কিস্তিতে পণ্য কেনা গ্রাহকদের জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে নগদ অর্থ উত্তোলনের সুবিধা চালু করেছে ওয়ালটন প্লাজা। ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ড’ধারী গ্রাহকেরা এখন দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে সর্বোচ্চ এক কিস্তির সমপরিমাণ নগদ অর্থ তুলতে পারবেন। ফলে যে প্লাজা থেকে পণ্য কেনা হয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে অর্থ উত্তোলনের জন্য সেখানে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকছে না। চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে এ সুবিধা কার্যকর হয়েছে।
দেশের অন্যতম শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা জানিয়েছে, গ্রাহকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিপদের সময় পাশে থাকাই ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ড’-এর মূল উদ্দেশ্য। কিস্তিতে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে গ্রাহকদের সহায়তা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন সুবিধার আওতায় দেশের যেকোনো প্রান্তে অবস্থান করেও নিকটস্থ ওয়ালটন প্লাজা থেকে অর্থ উত্তোলন করা যাবে।
‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষানীতি’র আওতায় কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় সুরক্ষা কার্ডধারী ক্রেতার মৃত্যু হলে ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্যের ভিত্তিতে তাঁর পরিবারকে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেয় ওয়ালটন প্লাজা। ক্রেতার পরিবারের কোনো সদস্যের মৃত্যু হলে সহায়তার পরিমাণ ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া সুরক্ষা কার্ডধারী ক্রেতার মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট পণ্যের অপরিশোধিত কিস্তি মওকুফ করা হয়। মৃত ক্রেতার পরিবারের যোগ্য সদস্যের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করে প্রতিষ্ঠানটি।
সুরক্ষা কার্ডধারী ক্রেতারা চিকিৎসা, শিক্ষা, ভ্রমণ, কেনাকাটা ও বিনোদনসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রয়োজনেও বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন। তাঁদের জন্য দেশের আট বিভাগে পাঁচ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশেষ চুক্তি রয়েছে ওয়ালটন প্লাজার। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, রিসোর্ট ও বিনোদন পার্ক, বিমান পরিবহন সংস্থা এবং ফ্যাশন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিক্রয় প্রতিষ্ঠান।
ক্রেতা ও তাঁদের পরিবারের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে টেলিমেডিসিন এবং ‘হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথকেয়ার’ কার্যক্রমও পরিচালনা করছে ওয়ালটন প্লাজা। মাঠপর্যায়ে গ্রাহকদের হাসপাতালে ভর্তি, হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া, রক্তের ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ পেতে সহায়তা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান বলেন, ক্রেতাদের হাতে উন্নত প্রযুক্তির মানসম্পন্ন পণ্য তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের জন্য বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করাকেও গুরুত্ব দেয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটন প্লাজা গ্রাহকদের নিজেদের পরিবারের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করে। এ ভাবনা থেকেই ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষানীতি’ চালু করা হয়েছে।
তিনি জানান, আর্থিক সহায়তা ও বকেয়া কিস্তি মওকুফের পাশাপাশি ক্রেতারা যাতে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও সুবিধা পান, সে জন্য অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির পরিধি পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হচ্ছে।
//ডিবিটেক/ডব্লিউএমএসএম/এসএমপি/এমআইএসটি//





