১৬ কোটি ৩১ লাখ টাকা আয় বোর্ডের, ফলাফল প্রকাশ ২৩ নভেম্বর
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে ১১ লাখ খাতা পুনঃমূল্যায়নের আবেদন
- মোট ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৩টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন ২ লাখ ৯১ হাজার ২০৯ জন শিক্ষার্থী
- প্রতি পত্র ১৫০ টাকা ফি হিসাবে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মোট আয় হয়েছে ১৬ কোটি ৩১ লাখ ১১ হাজার ৯৫০ টাকা
- সময়সূচি এগিয়ে এনে দ্রুততম সময়ে অর্থাৎ আগামী ২৩ নভেম্বর পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে আবেদনের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়ে প্রায় ১১ লাখে পৌঁছেছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ২ লাখ ৯১ হাজার ২০৯ জন শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৩টি পত্র বা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন সম্পন্ন করেছেন। প্রতি পত্রের আবেদন ফি ১৫০ টাকা নির্ধারিত থাকায় এসব আবেদন থেকে শিক্ষা বোর্ডগুলোর সর্বমোট আয় হয়েছে ১৬ কোটি ৩১ লাখ ১১ হাজার ৯৫০ টাকা।
৮ নভেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।
গত ১ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শনিবার (৭ নভেম্বর) রাত ৮টায় আবেদনের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে সেবা সাময়িক ব্যাহত হওয়ায় সময় আরও ১২ ঘণ্টা বাড়ানো হয়। এতে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা। বর্ধিত এ সময়ে আরও ১২ হাজার ৩২৭ জন শিক্ষার্থী ৪৯ হাজার ৬৯৬টি খাতার পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা দেন।
এর আগে, গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৫২.১২ শতাংশ। এই ফল বিগত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ফল। এতে মোট ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ৪ লাখ ২২ হাজার শিক্ষার্থী এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে ফল প্রকাশের নির্ধারিত সময়সূচি (২৭ নভেম্বর) এগিয়ে আনা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে বিশাল সংখ্যক খাতা পুনঃপরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফল প্রকাশ করা হবে। //ডিবিটেক/জেএনওআর/এসএমই/এমএসআই//





