অনুমতিহীন সাংবাদিক সংগঠনে পদত্যাগ ও উপাচার্যের বিবৃতি

নাম ব্যবহারে নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্যের নিষেধাজ্ঞা

  • নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কোনো সাংবাদিক সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে নাম ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন
  • বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমোদনহীন এক সংগঠন উপ-উপাচার্যের নাম ব্যবহার করায় তিনি স্পষ্ট প্রতিবাদ ও পদত্যাগের ঘোষণা দেন
  • উপাচার্য ড. গোলাম রব্বানী নিশ্চিত করেছেন যে উপ-উপাচার্য তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করেছেন

নাম ব্যবহারে নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্যের নিষেধাজ্ঞা
৩০ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৬  

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কোনো সাংবাদিক সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর নাম ব্যবহার না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা ও আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ২৯ জুলাই বুধবার তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিবৃতিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে নোবিপ্রবির কোনো সাংবাদিক সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে এই মুহূর্তে যুক্ত থাকতে চাই না। তাই আজ থেকে নোবিপ্রবির কোনো সাংবাদিক সংগঠনকে উপদেষ্টা হিসেবে আমার নাম ব্যবহার না করতে অনুরোধ করবো।”

অনুমোদনহীন সংগঠনের তৎপরতা ও বিতর্ক
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সম্প্রতি নোবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই একটি নতুন গোষ্ঠী নিজেদের সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। সংগঠনটি নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে তাদের 'উপদেষ্টা' হিসেবে প্রচার করছিল।

বিষয়টি উপ-উপাচার্যের গোচরীভূত হলে তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে স সতর্ক করেন। তিনি বলেন, “আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ব্যাপারে অবহিত করেছি। আমার নাম ব্যবহার করে কেউ কোনো কাজ যেন না করে, সে আহ্বান জানাচ্ছি।”

উপাচার্যের নিশ্চিতকরণ
এ বিষয়ে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “তিনি (উপ-উপাচার্য) একটি সংগঠনের উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এবং বিষয়টি গতকাল রাতে আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছেন।”

উপ-উপাচার্যের এই সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমতিহীন সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে সুবিধা নেওয়ার তৎপরতা বন্ধ হবে বলে আশা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।
//ডিবিটেক/এসএইএম/এনএম//