ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় দুই বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ও ব্রোঞ্জ পদক অর্জন
আন্তর্জাতিক গ্লোবাল আইটি চ্যালেঞ্জ ২০২৬-এ বাংলাদেশ দলের অনন্য গৌরব
- ৯ দেশের প্রায় ৭০০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে 'বেস্ট চ্যাপরন' ও 'ই-কনটেন্ট' ট্রফি জয়
- বিসিসি ও সিএসআইডি-এর যৌথ উদ্যোগে অংশ নেওয়া ৪ সদস্যের বাংলাদেশ দলের সাফল্য
- অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল দক্ষতায় প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীদের মেধার বিশ্বস্বীকৃতি
ভিয়েতনামের পর্যটন নগরী দা নাং সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীদের বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ‘গ্লোবাল আইটি চ্যালেঞ্জ ফর ইয়ুথ উইথ ডিজ্যাবিলিটিজ ২০২৬ (GITC 2026)’-এ অনন্য গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) এবং সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজ্যাবিলিটি (সিএসআইডি)-এর যৌথ উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী ৪ সদস্যের বাংলাদেশ দল প্রতিযোগিতার ‘বেস্ট চ্যাপরন’ (Best Chaperone) ও ‘ই-কনটেন্ট’ (eContent) বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মর্যাদা লাভ করেছে। এর পাশাপাশি ‘ই-কম্বিনেশন’ (eCombination) ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ দল একটি ব্রোঞ্জ পদক জয় করে।
বিশ্বের নয়টি দেশের প্রায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণে গত ২৬ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান দা নাং সিটিতে এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন চারজন তরুণ প্রতিযোগী। তাঁরা হলেন—দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ক্যাটাগরিতে মো. শাকিল মিয়া, শারীরিক প্রতিবন্ধী ক্যাটাগরিতে শেখ ইয়ামিন আহসান, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ক্যাটাগরিতে উম্মে হাবিবা বিন্তি এবং নিউরোডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী ক্যাটাগরিতে আরিয়ান ইসলাম।
বাংলাদেশ দলের প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধি ও মেন্টর হিসেবে ভিয়েতনামে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) নাহিদ সুলতানা মল্লিক, বিসিসির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মো. মাহবুব করিম এবং সিএসআইডি-এর পরিচালক ইফতেখার আহমেদ।
প্রতিযোগিতাটি আয়োজনে মূল স্বাগতিক হিসেবে নেতৃত্ব দেয় প্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট এলজি (LG)। যৌথ ব্যবস্থাপনায় ছিল জিআইটিসি অর্গানাইজিং কমিটি, এলজি ইলেকট্রনিক্স, আরআই কোরিয়া, ডব্লিউটিএল ভিয়েতনাম ও ডুয়ি তান ইউনিভার্সিটি। সামগ্রিক আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কমিউনিটি চেস্ট কোরিয়া।
প্রতিবন্ধী তরুণদের এমন বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের এই অভাবনীয় সাফল্য দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সমাজ বিনির্মাণ, তথ্যপ্রযুক্তিতে যুব সমাজের প্রবেশাধিকার এবং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মেধার স্বাক্ষরকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ।
//ডিবিটেক/জেআইপিআর/এসএমপি/এমআইএসটি//





