ঢাকায় ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০

এআই মার্কেটিংয়ে মানবিক মূল্যবোধের আহ্বান

  • দুই দিনের ফোরামে অংশ নেন দেশি-বিদেশি মার্কেটিং নেতা ও শিক্ষাবিদ
  • ৫৪ দেশের প্রতিনিধিত্বকারী চার আন্তর্জাতিক সংগঠন গ্রহণ করে ঢাকা ঘোষণা
  • আলোচনায় গুরুত্ব পায় এআই, নৈতিকতা, মানবিক বিচারবুদ্ধি ও ভোক্তার আস্থা

এআই মার্কেটিংয়ে মানবিক মূল্যবোধের আহ্বান
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৩৪  

মার্কেটিংয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে মানুষের বিচারবুদ্ধি, নৈতিকতা ও ভোক্তার আস্থা। প্রযুক্তির সক্ষমতার সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে ভবিষ্যতের মার্কেটিং গড়ে তোলার এই বার্তা সামনে রেখে ৩০–৩১ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম ৬.০।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত দুই দিনের এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশি-বিদেশি মার্কেটিং নেতা, শিক্ষাবিদ, সরকারি প্রতিনিধি ও শিল্পসংশ্লিষ্টরা এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং এর ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির উপস্থাপনায়, এসিআই মটরস লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত ফোরামটির আহ্বায়ক ছিল ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল (ডব্লিউএমসি)। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের অংশীদারত্বে সহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। এবারের আসরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইন মার্কেটিং: হিউম্যান + টেক’।

স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল ও মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশের (এমএসবি) সেক্রেটারি জেনারেল এবং বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও এক্সিকিউটিভ এডিটর সাজিদ মাহবুব। তিনি বলেন, “সারা বিশ্ব থেকে আসা মার্কেটার, শিক্ষাবিদ ও ইন্ডাস্ট্রি লিডারদের ঢাকায় স্বাগত জানাতে পেরে আমরা সম্মানিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রাহককে সেবা দেওয়ার ধরন বদলে দিচ্ছে, তবে মার্কেটিংয়ের উদ্দেশ্য ঠিক করে মানুষই। ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরাম এমন একটি মঞ্চ, যেখানে আমরা একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারি এবং এমন ভবিষ্যৎ গড়তে পারি, যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ একসঙ্গে এগিয়ে যাবে।”

এরপর উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক। তিনি আন্তর্জাতিক অতিথিদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি এআইনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য মার্কেটিং পেশাজীবীদের প্রস্তুত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।

দুই দিনের আয়োজনে ১০টি মূল বক্তব্যের অধিবেশন, দুটি কেইস স্টাডি ও দুটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া উপস্থাপন করা হয় ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিলের ‘দ্য ঢাকা ডিক্লারেশন: মার্কেটিং ফর গ্লোবাল গুড—ওয়াই ২০৩০ অ্যান্ড বিয়ন্ড’। ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিলের সঙ্গে এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন, আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন ও ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে ঘোষণাটি গৃহীত হয়। এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের ৫৪টি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর এ অভিন্ন অঙ্গীকারে ২০৩০ সাল ও পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক কল্যাণে বিপণনচর্চা, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রথম দিনের মূল বক্তব্যের সূচনা করেন আধুনিক মার্কেটিংয়ের অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদ প্রফেসর ফিলিপ কটলার। তিনি কেলগ স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট, নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সাবেক এসসি জনসন অ্যান্ড সন ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর এবং মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি মার্কেটিংয়ে এআই ও মানুষের বিচারবুদ্ধির সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, এআই ব্যবসার দক্ষতা বাড়ানো, গ্রাহকের চাহিদা বোঝা, বাজারের নতুন সুযোগ শনাক্ত করা এবং বিক্রি ও মুনাফার পূর্বাভাস দিতে সহায়তা করতে পারে। তবে পুরোপুরি প্রযুক্তিনির্ভর না হয়ে ধাপে ধাপে ও দায়িত্বশীলভাবে এআই গ্রহণ করা উচিত। মানুষের সৃজনশীলতা, তদারকি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা মার্কেটিংয়ের কেন্দ্রে রাখতে হবে।

কটলার মার্কেটিং ও ফাইন্যান্স বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে গ্রাহক বৃদ্ধি, ব্র্যান্ড গঠন, বাজেট ও আর্থিক ফলাফলের মধ্যে ভারসাম্য থাকে। একই সঙ্গে এআইয়ে বিনিয়োগ উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে কি না, ব্যয় কমাচ্ছে কি না এবং মুনাফায় কতটা অবদান রাখছে, তা নিয়মিত মূল্যায়নের পরামর্শ দেন তিনি।

এরপর বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং ফোরামের সহপ্রতিষ্ঠাতা, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং এমকর্পের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ার হারমাওয়ান কারতাজায়া। তিনি বলেন, সফল মার্কেটিংয়ের জন্য প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, আস্থা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয় জরুরি। পরিবর্তিত গ্রাহকচাহিদা, সামাজিক প্রত্যাশা ও সাংস্কৃতিক প্রবণতা বুঝেই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে নিজেদের আলাদা অবস্থান তৈরি করতে হবে। তাঁর মতে, এআই নতুন সুযোগ ও উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে, তবে এর ব্যবহার পরিচালিত হতে হবে মানুষের দায়িত্ববোধ দিয়ে।

প্রচলিত প্রতিযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে নতুন পণ্য, অভিজ্ঞতা ও বাজার তৈরির মাধ্যমে ‘জেনারেটিভ অ্যাডভান্টেজ’ অর্জনের আহ্বান জানান কারতাজায়া। তিনি বলেন, মার্কেটিংয়ের লক্ষ্য শুধু মুনাফা অর্জন নয়; নৈতিক ব্যবসাচর্চা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজ ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব তৈরিও এর অংশ।

প্রথম দিনের অন্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন গুগলের হেড অব পার্টনার পারফরম্যান্স, চ্যানেল সেলস—সাউথইস্ট এশিয়া তারা ইউন এবং মালয়েশিয়ার আইট্রেইন এশিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এরিক কু। মানুষের কৌতূহল ও এআইয়ের সক্ষমতা একত্রে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর মার্কেটিংয়ের সম্ভাবনা তুলে ধরেন তারা ইউন। অন্যদিকে এরিক কু আলোচনা করেন, এআই কীভাবে ভোক্তাদের কনটেন্ট নির্মাতায় পরিণত করছে, মার্কেটিং উদ্যোক্তা হওয়ার বাধা কমাচ্ছে এবং গ্লোবাল সাউথে আয়ের নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

দ্বিতীয় দিনের মূল বক্তব্য শুরু করেন ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার। তিনি এআইকে মার্কেটিংয়ের অনিবার্য বাস্তবতা হিসেবে তুলে ধরে ব্র্যান্ড ও ভোক্তার ওপর এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব বিশ্লেষণ করেন।

থাইল্যান্ডের মার্কেটিং অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ অব লার্নিং আর্কিটেক্ট অ্যান্ড মার্কেটিং ইনোভেশন ড. ড্যান ভিসিতচাইচান মানুষের চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিমান যন্ত্রের অংশীদারত্বকে মার্কেটিংয়ের ভবিষ্যৎ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট হেলেন ম্যাকইনটি-কার্লাইল বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের স্থানীয় প্রাসঙ্গিকতা তৈরির কৌশল বা গ্লোকাল মার্কেটিংয়ের সাম্প্রতিক ধারা নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক মার্কেটিংয়ে এআইয়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সুফল শেষ পর্যন্ত কারা পাচ্ছে, সে প্রশ্ন বিশ্লেষণ করেন।

ভসু.এআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা নাফিস ফয়সাল একজন উদ্যোক্তার দৃষ্টিকোণ থেকে এআইয়ের ভবিষ্যৎ তুলে ধরেন। ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট রালফ স্ট্রাউস মার্কেটিংয়ে এআই নিয়ন্ত্রণ এবং পেশাটির জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন।

মূল বক্তব্যের পাশাপাশি দুই দিনের প্যানেল আলোচনায় এআইয়ের ব্যবহারিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। প্রথম দিনের আলোচনায় প্রশ্ন ওঠে, এআই কি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) জন্য প্রতিযোগিতার সুযোগ সমান করতে পারে? সাশ্রয়ী এআই সরঞ্জাম কীভাবে ছোট প্রতিষ্ঠানকে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সহায়তা করতে পারে এবং সেগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি দরকার, তা নিয়ে মত দেন আলোচকেরা।

দ্বিতীয় দিনের প্যানেলে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, যাতে একাডেমিক গবেষণা বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধানে কাজে লাগে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম এবং কোরিয়ার কে-কালচারে কৃত্রিম ও অ্যানালগ বুদ্ধিমত্তার সমন্বয় নিয়ে দুটি কেইস স্টাডি উপস্থাপন করা হয়। এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিশেষ বক্তব্য দেওয়া হয়। এসব আলোচনায় উঠে আসে, মানুষের বিচারবুদ্ধি, নৈতিকতা ও আস্থার ভিত্তি ছাড়া এআই দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করতে পারবে না।

ফোরামের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বক্তার মধ্যে ছিলেন এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশনের পার্টনার ও প্রেসিডেন্ট জ্যাক ইয়াও; ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী; ড্রিম কোম্পানির চিফ ইমাজিনেশন অফিসার ও এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রফেসর বুজং কিম; সংযুক্ত আরব আমিরাতের হায়ার কলেজেস অব টেকনোলজির বিজনেস বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সের্গেই স্পিভাকভস্কি।

এছাড়াও বক্তব্য দিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশনস কোম্পানি বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এসিআই পিএলসির বোর্ড পরিচালক আশরাফ বিন তাজ; ডিএসআই গ্রুপের পরিচালক ও এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোহান সোমাওয়ানসা; ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ও উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট সেলের পরিচালক ড. নুসরাত হাফিজ; মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল এবং মার্কটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শরিফুল ইসলাম দুলু।

অন্যান্য বক্তার মধ্যে রয়েছেন- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রফেসর মোসাদ্দেক আহমেদ চৌধুরী; ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরেক্টর অব কমিউনিকেশনস খায়রুল বাশার; শ্রীলঙ্কা ইনস্টিটিউট অব মার্কেটিংয়ের প্রেসিডেন্ট এনোক পেরেরা; এমকর্পের গ্রুপ সিইও ও ডেপুটি চেয়ারম্যান তৌফিক; ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. জাহিদ হালিম; নেসলে বাংলাদেশ পিএলসির সেলস ডিরেক্টর সৈয়দ ইকবাল মাহমুদ হোসেন এবং ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর আফসানা আক্তার।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ছিল ফোরামের টাইটেল পার্টনার, এসিআই মটরস লিমিটেড পাওয়ার্ড বাই পার্টনার এবং প্রাণ ছিল সহযোগী প্রতিষ্ঠান।

আয়োজনটি বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মধ্যে ছিল এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন, ইউরোপিয়ান মার্কেটিং কনফেডারেশন, আফ্রিকান মার্কেটিং কনফেডারেশন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিজনেস স্কুল, মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ, মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ, ব্যাকপেজ পিআর এবং ওয়ার্ল্ড মার্কেটিং কাউন্সিল।
//ডিবিটেক/এজেডসিবিপি/এসএমপি/এসআইএসটি//