প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি সহায়তায় স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য
সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইনে সিমেন্সের অনুমোদিত পরিবেশক পেন্টা গ্লোবাল
- সিমেন্স ইডিএ পণ্য, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেবে পেন্টা গ্লোবাল
- এআই চিপ ডিজাইন, থ্রিডি-আইসি ও ডিজিটাল টুইনে জ্ঞান হস্তান্তরের সুযোগ বাড়বে
- বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ জোরদারের লক্ষ্য
বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন খাতে উন্নত প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সিমেন্স ইলেকট্রনিক ডিজাইন অটোমেশন (ইডিএ)-এর অনুমোদিত পরিবেশক হয়েছে পেন্টা গ্লোবাল লিমিটেড। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে স্থানীয় প্রকৌশলী ও সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উন্নত চিপ ডিজাইন প্রযুক্তি এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে।
২৭ অক্টোবর, মঙ্গলবার, রাষ্ট্রিয় সংবাদ সংস্থা বাসসের খবরে বলা হয়, এ দিন সিমেন্স ইন্ডাস্ট্রি সফটওয়্যার লিমিটেডের (এসআইএসডব্লিউ) গ্রাহকদের ইডিএ পণ্য, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিতে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে চুক্তি হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর চিঠির মাধ্যমে অনুমোদন নিশ্চিত করে সিমেন্স।
চিপ ডিজাইন, নকশার নির্ভুলতা যাচাই বা ভেরিফিকেশন এবং উন্নত প্যাকেজিংসহ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ও নকশার বিভিন্ন ধাপে ইডিএ সফটওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই উদ্যোগের ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-চালিত চিপ ডিজাইন, থ্রিডি-আইসি, চিপলেটভিত্তিক নকশা এবং ডিজিটাল টুইনের মতো প্রযুক্তিতে জ্ঞান ও দক্ষতা হস্তান্তরের সুযোগ তৈরি হবে। এতে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ (আইপি) ও প্রযুক্তিপণ্য উন্নয়নে সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পেন্টা গ্লোবালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল জামান বলেন, বাংলাদেশের দক্ষ প্রকৌশলী, বিকাশমান প্রযুক্তি খাত, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ এবং অভিজ্ঞ প্রবাসী বাংলাদেশি পেশাজীবীদের নিয়ে সেমিকন্ডাক্টর খাতে এগিয়ে যাওয়ার শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি, অবকাঠামো, বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এবং বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে এই দক্ষতাকে যুক্ত করা গেলে চিপ ডিজাইন, প্রযুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদে বাংলাদেশ আরও উচ্চমূল্যের সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
সিমেন্স ইডিএর পার্টনার অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ডেনিস লবজভ বলেন, পেন্টা গ্লোবালকে অনুমোদন দেওয়া বাংলাদেশের জন্য সিমেন্সের ‘কান্ট্রি অ্যাজ এ কাস্টমার’ উদ্যোগের একটি কৌশলগত মাইলফলক। বাংলাদেশের জাতীয় লক্ষ্য ও সিমেন্সের বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতার মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শুধু বাজার সম্প্রসারণ নয়, বরং সেমিকন্ডাক্টর খাতের একটি টেকসই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এআই, থ্রিডি-আইসি ও ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন ত্বরান্বিত করা এবং বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রতিভাকে সিমেন্স ইডিএর প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় সমৃদ্ধ করার বিষয়ে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুমোদিত পরিবেশক হিসেবে পেন্টা গ্লোবাল বাংলাদেশে সিমেন্স ইডিএ প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার স্থানীয় মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে দেশীয় প্রকৌশল দক্ষতা ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে বৈশ্বিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।
//ডিবিটেক/বাসস/এসএমই/এমআইএসটি//





