শিক্ষায় জলবায়ু তথ্যব্যবস্থার সমন্বয়
দুর্যোগ মোকাবিলায় শিক্ষাব্যবস্থায় জলবায়ু তথ্যের সমন্বয় জোরদার
- ঢাকায় ইউনেসকোর সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালা সম্পন্ন
- ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় চিহ্নিত ও শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উদ্যোগ
- শিক্ষাপরিকল্পনায় জলবায়ুঝুঁকির তথ্য ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব
বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হওয়া এবং অবকাঠামোর ক্ষতি মোকাবিলায় জলবায়ু, দুর্যোগ ও শিক্ষাবিষয়ক তথ্যের সমন্বয় জোরদার করছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে ঝুঁকিতে থাকা বিদ্যালয় চিহ্নিত করা, নিরাপদ অবকাঠামোতে বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং দুর্যোগের মধ্যেও শিশুদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
২৯ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেলে ইউনেসকোর সহযোগিতায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জাতীয় কর্মশালা শেষ হয়েছে। কর্মশালায় শিক্ষা ও জলবায়ুবিষয়ক তথ্যব্যবস্থার সমন্বয়, তথ্য আদান-প্রদান এবং শিক্ষাপরিকল্পনায় জলবায়ুঝুঁকির তথ্য ব্যবহারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন সরকারি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা।
কর্মশালায় বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যানের (এপিএসএস) তথ্য সংগ্রহপদ্ধতি উন্নত করা, বিদ্যমান তথ্যব্যবস্থার মধ্যে সংযোগ বাড়ানো এবং জলবায়ুসংক্রান্ত নতুন তথ্যসূচক যুক্ত করার বিষয় গুরুত্ব পায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম জানান, দুর্যোগ বা তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যালয় বন্ধ হলে শিক্ষা খাতে অন্যান্য বিনিয়োগের সুফলও কমে যায়। তাই শিক্ষাপরিকল্পনায় জলবায়ুর বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া সামগ্রিক বিনিয়োগ সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
ইউনেসকো ঢাকা অফিসের শিক্ষা বিভাগের প্রধান নোরিহিদে ফুরুকাওয়া জানান, জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে শুধু তথ্য সংগ্রহ যথেষ্ট নয়। বিদ্যমান তথ্যের সমন্বয় ও ঘাটতি পূরণের মাধ্যমে শিক্ষা কর্তৃপক্ষকে কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করতে হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত তথ্যের মাধ্যমে জলবায়ুঝুঁকিতে থাকা বিদ্যালয় চিহ্নিত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকার শিশুদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ইউনেসকো এবং ইউনেসকোর আন্তর্জাতিক শিক্ষা পরিকল্পনা ইনস্টিটিউটের কারিগরি সহায়তায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে অর্থায়ন করছে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন।
//ডিবিটেক/এসসি/ডিই ওই//





