বাংলাদেশ সোসাইটি অব এগ্রোনোমি'র ২৫তম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
- আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী
- কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শুধু ডিগ্রি প্রদানকারী না হয়ে উদ্ভাবন ও সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান
- বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিল মিলনায়তনে সোসাইটির ২৫তম কনফারেন্স
আগামী দিনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ৩১ অক্টোবর, শনিবার বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি অব এগ্রোনোমি’র ২৫তম কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, “আমরা কৃষি উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছি। কিন্তু আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, বরং সীমিত সম্পদ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে তাল মেলানো। কিভাবে একই জমিতে অধিক উৎপাদন, কম খরচ, উন্নতমান এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।”
গবেষণা ও মাঠপর্যায়ের সংযোগ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর আমাদের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা অনেক গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। কিন্তু সেই উদ্ভাবনের সুফল কতজন প্রকৃত কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছাল, সেটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি, দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেবল সনদ বা ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে উদ্ভাবন, সমস্যা সমাধান ও কৃষিখাতের সামগ্রিক রূপান্তরের কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করে তোলার তাগিদ দেন তিনি।
আধুনিক কৃষি অর্থনীতির জন্য দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, কৃষি যন্ত্রপাতি পরিচালনা, আধুনিক সেচ প্রযুক্তি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতের মতো ক্ষেত্রগুলোতে দক্ষ জনবল তৈরি করতে হবে। এসব দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে ‘টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং’ (টিভেট)—গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সোসাইটি অব এগ্রোনোমি'র সভাপতি ড. এ কে এম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারিন্দ মাল্টিপারপাস ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মোঃ হাসান জাফির তুহিন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মোঃ আব্দুস সালাম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: আব্দুল আলিম।
//ডিবিটেক/ইএমএস/এসএমপি/এমআইএসটি//





