বাড়ছে জনসাধারণের আগ্রহ
গ্রীষ্মের আগেই ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুতের আশা
- আগামী গ্রীষ্মের আগেই ৩–৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা প্রতিমন্ত্রীর
- যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে নিজস্ব অর্থায়নে স্থাপন করা হয়েছে ৬ কিলোওয়াট সৌর প্যানেল
- সেচ পাম্প সৌরবিদ্যুতে রূপান্তর করে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা সরকারের
আগামী গ্রীষ্মের আগেই দেশে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আমিত। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে সাধারণ মানুষের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হওয়ায় এ খাতে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি ও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
২১ অক্টোবর, বুধবার দুপুরে যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা জানান।
তিনি জানান, দেশের কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে এটিই প্রথম সৌর প্যানেল স্থাপন। প্রধানমন্ত্রীর নীতি অনুসরণ করে কার্যালয়টিতে ৬ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কার্যালয়ের নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে। তাঁর ধারণা, সাড়ে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে প্যানেল স্থাপনের ব্যয় উঠে আসবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ দেখে অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও নিজ নিজ কার্যালয়ে সৌর প্যানেল স্থাপনে আগ্রহী হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সৌরবিদ্যুৎ খাতে নীতি সহায়তা দিচ্ছে। এতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
কৃষি খাতে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। জানান, পর্যায়ক্রমে সেচ পাম্পগুলো সৌরবিদ্যুতে রূপান্তর করা হবে। এতে ডিজেল ও প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন ব্যয়ও হ্রাস পাবে।
//ডিবিটেক/কেবিএলআর/এসএমই/এমভিএনও//





