আটককৃতদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি; ৩৩ কোটি টাকারও বেশি পাওনার হিসাব নিয়ে অপারেটরের দ্বিমত
বকেয়ার দাবিতে গ্রাহক ও কর্মীবান্ধব জিপি গঠনের আহ্বান গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের
২০১০-২০১২ সালের লভ্যাংশের ৫ শতাংশ বিলম্ব বকেয়া পরিশোধ এবং একটি গ্রাহক ও কর্মীবান্ধব জনকল্যাণমুখী অপারেটর গঠনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ‘গ্রামীণফোনের ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’ বকেয়া পরিশোধের মাধ্যমে একটি গ্রাহক, কর্মী ও জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে কয়েক দফা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠন ‘গ্রামীণফোনের ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩০ জুন সকালে গ্রামীণফোন হাউসের সামনে পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ গণঅবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয় এবং কয়েকজন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতারর করে সংবাদ সম্মেলন থেকে ১ জুলাই থেকে পাওনাদার শ্রমিকদের অধিকারভুক্ত কোনো সম্পত্তিতে গ্রামীণফোন বা তাদের ভেন্ডরদের কর্মচারীদের অনুপ্রবেশ না করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। অপারেটরটির সাবেক কর্মীদের দাবি করেন, শ্রম আইনের একটি সুনির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী যদি জিপি’র বার্ষিক লভ্যাংশের ওপর ৭৫ শতাংশ হারে বিলম্বিত সুদ হিসাব করা হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪,০০০ কর্মীর প্রত্যেকে ৩৩ কোটি টাকারও বেশি (মোট প্রায় ৩৩,১৪৭ কোটি টাকা) পাওয়ার অধিকারী হবেন তবে গ্রামীণফোন এই হিসাব ও আইনি ব্যাখ্যা দুটো নিয়েই তীব্র আপত্তি তুলে একে ভুল আখ্যা দিয়েছে অপরদিকে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আদিবা জেরিন এই দাবি খণ্ডন করে বলেন, গ্রামীণফোন শুধু মূল টাকাই দিয়েছে, সুদের বিষয়টি আদালতের রায়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল তিনি অভিযোগ করেন, আমরা যখন আদালতের চূড়ান্ত রায়ের একেবারে সন্নিকটে , তখন ২০২৩ সালে কোম্পানি কৌশলে সরকারের বিরুদ্ধে করা রিট প্রত্যাহার করে নেয়। এর ফলে মামলার আইনি গতিপথ পরিবর্তিত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। সূত্রমমতে, গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মীদের সঙ্গে অপারেটরটির এই বিরোধের সূত্রপাত হয় ২০১০ সালের অক্টোবরে, যখন সরকারি এক আদেশে মোবাইল অপারেটরদের শ্রম আইনের আওতায় এনে লভ্যাংশ তহবিল গঠন বাধ্যতামূলক করা হয় শ্রম আদালতে দেওয়া কর্মীদের এই বিপুল সুদের দাবিটি বিটিআরসি’র অডিট নিয়ে সরকারের সাথে গ্রামীণফোনের ১ বিলিয়ন ডলারের বিরোধের চেয়েও বড় এর আগেও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাবেক কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের জলকামান ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছিল সংবাদ সম্মেলনে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের টেকসই উন্নয়নে এবং জনকল্যাণে ৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয় এসময় সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী কামরুল হাসান, মোবাশ্বের,নেহরুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জানাযায়, সকালে গ্রামীণফোন সেন্টারের সামনে থেকে আন্দোলনরত যে ৬ জনকে ভাটারা থানা পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিলো তাদেররকে কোর্ট রাতে জামিনে মুক্তি দিয়েছে।
//ডিবিটেক/এজেড/আইএইচ//





