বহু প্রতারণা মামলার আসামি; আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে অভিযানে ডিএমপি

ধোলাইখাল থেকে গ্রেপ্তার ই-অরেঞ্জের মাসুকুর রহমান, রয়েছে ২০টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • রাজধানীর ধোলাইখাল থেকে গ্রেপ্তার ই-অরেঞ্জের পরিচালক মাসুকুর রহমান।
  • তার বিরুদ্ধে অন্তত ২০টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
  • প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের একাধিক মামলার আসামি।
  • আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার।
ধোলাইখাল থেকে গ্রেপ্তার ই-অরেঞ্জের মাসুকুর রহমান, রয়েছে ২০টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
৩০ জুন, ২০২৬ ২১:০৭  

আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের প্রধান উপদেষ্টা ও পরিচালক মাসুকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাজধানীর ধোলাইখাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অন্তত ২০টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুলশান অঞ্চলের সহকারী পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে গুলশান থানার একটি দল অভিযান চালিয়ে মাসুকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান।

এর আগে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় ই-অরেঞ্জের স্বত্বাধিকারী সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা মাসুকুর রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম অভিযোগ গঠন শেষে এ পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন—ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক শেখ সোহেল রানা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমানুল্লাহ চৌধুরী এবং পরিচালক জায়েদুল ফিরোজ ও নাজনিন নাহার বিথী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ই-অরেঞ্জ কর্তৃপক্ষ স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করত। ওই প্রলোভনে পড়ে এক গ্রাহক ২০২১ সালের ২৩ মে থেকে ৩ জুনের মধ্যে তিনটি মোটরসাইকেল ও একটি ল্যাপটপ কেনার জন্য মোট ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৭০০ টাকা পরিশোধ করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও কোনো পণ্য সরবরাহ করা হয়নি। পরে বারবার যোগাযোগ করেও পণ্য বা অর্থ ফেরত না পেয়ে ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর ই-অরেঞ্জের কার্যালয়ে গেলে ভুক্তভোগীকে টাকা ফেরত না দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

//ডিবিটেক/ডিএস/ইকে//