আসছে নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ সোশ্যাল মিডিয়া, এআই এবং প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন

আসছে নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ সোশ্যাল মিডিয়া, এআই এবং প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৪:৩৭  

আসছে জাতীয় নির্বাচনে ‘প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবারকার নির্বাচনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। একইভাবে ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই এর মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

২৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় অডিটোরিয়ামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলনে তারা এমন মন্তব্য করেন।  বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তব্য দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিনা আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করতে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে কমিশন। একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়া হবে। এ বিষয়ে কমিশনের ওপর প্রধান উপদেষ্টার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা এই আস্থা ধরে রাখতে চাই।

‘কর্মকর্তাদের কারো পক্ষে কাজ করার জন্য বা বেআইনি কোন নির্দেশনা দেবে না নির্বাচন কমিশন। সকলকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে’ - যোগ করেন তিনি।

মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, ‘আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর হবে তারাও এবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে। নির্বাচনের নামে প্রহসনের কারণেই জুলাই বিপ্লব গঠিত হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই এর মাধ্যমে ভুল তথ্য দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘কর্মকর্তাদের কারো পক্ষে কাজ করার জন্য বা বেআইনি কোন নির্দেশনা দেবে না নির্বাচন কমিশন। সকলকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এটাই আমাদের কমিটমেন্ট। জাতি আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।’ আর এক্ষেত্রে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কোনো কৃপণতা নাই।  

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন অন্যান্য যেকোনো জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। এর মধ্যে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবারকার নির্বাচনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তাই  ‘আমরা ধাপে ধাপে কাজ করছি। খুব রাতারাতি সবকিছু হবে না। আমরা কাজ করে সবকিছু আদায় করতে চাই।

নির্বাচন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মনির হোসেন বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের নিয়োগে ব্যবস্থা নিতে হবে। আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের যুক্ত করা গেলে ভোট সুন্দর হবে।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, অনেকে বলছে, এবার জাতীয় নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট কাস্টিং হবে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসউদ বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করা ইসির দায়িত্ব। ভালো নির্বাচন করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। নির্বাচন নামক যুদ্ধে সৈনিক হলো কর্মকর্তারা। তারা চেষ্টা না করলে জেতা সম্ভব হবে না। দলগুলো পরিবেশ সুন্দর রাখলে, নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাজ সহজ হবে।