ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়ন: গ্রাম সরকার হতে পারে গ্রামীণ উন্নয়নের অনুঘটক

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি সরকার গঠন করলে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হাতে নিবেন বলে দেশ বাসীকে জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, কর্মসংস্থান, মানুষ দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যা গ্রামীণ মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা […] The post ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়ন: গ্রাম সরকার হতে পারে গ্রামীণ উন্নয়নের অনুঘটক first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.

ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়ন: গ্রাম সরকার হতে পারে গ্রামীণ উন্নয়নের অনুঘটক
৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১৬:০০  

২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি সরকার গঠন করলে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হাতে নিবেন বলে দেশ বাসীকে জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, কর্মসংস্থান, মানুষ দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি যা গ্রামীণ মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হয়।

তবে এসব উদ্যোগের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রয়োজন শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনসাধারনের সরাসরি অংশগ্রহণ। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান সরকারের গ্রাম সরকার পুনঃপ্রবর্তনের ধারণাটি নতুন করে গুরুত্বের দাবি রাখে। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৮০ সালে ‘গ্রাম সরকার’ নামে একটি স্থানীয় সরকারব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো উন্নয়ন, খাল খনন, গ্রামীন সমস্যা সমাধান ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। বর্তমান বিএনপি সরকার এই গ্রাম সরকার পদ্ধতি পুনরায় চালু করতে চায়। এ লক্ষ্যে ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’ এর একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে যেখানে গ্রামের সুধীজন, ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধি যুক্ত করে ১৭ সদস্য নিয়ে গঠিত এই ‘গ্রাম সরকার’ এর মেয়াদ পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানের আমলে এই ব্যবস্থা গ্রামীণ জনজীবনে আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছিল। ফলে বলা যায়, গ্রাম সরকার প্রতিষ্ঠা করা গেলে নানা ধরনের সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যার সমাধান করা যাবে। এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের সাথে স্থানীয় চাহিদা উপর ভিত্তি করে উন্নয়ন কার্যক্রমকে সমন্বয় করতে গ্রাম সরকার অনুঘটক হয়ে উঠতে পারে।

রাষ্ট্র ও গ্রামের মানুষের মধ্যে সেতুবন্ধে গ্রাম সরকার

আমাদের গ্রামীন সমাজে বহুবিধ সমস্যা বিদ্যামান। সমস্যা সমাধানই গ্রাম সরকার পুনঃপ্রবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। পারিবারিক কলহ, মাদক নির্মূল, শিক্ষার প্রসার, কৃষি উন্নয়ন, সরকারি সেবাপ্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ, সামাজিক বিরোধ মিমাংসা, অবকাঠামোগত ও কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণ করতে গ্রাম সরকার রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কার্যকারী ভূমিকা রাখতে পারে। সমস্যা সমাধানে গ্রাম সরকার ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, লোকাল থানা সহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে কাজ করতে পারবে। এতে গ্রামের দরিদ্র মানুষ, অসহায় নারী, প্রতিবন্ধী, ভূমিহীন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ ভাবে উপকৃত হবেন।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা ও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছেন। আগামী কয়েক বছরে সবার হাতে কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিম্নআয়ের ও অসচ্ছল পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিবারের নারীপ্রধান বা মায়ের নামে কার্ড প্রদান করার মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান শক্তিশালী করার হচ্ছে যা নারী ক্ষমতায়নের পথকে আরো সুগম করবে। তবে এই কর্মসূচির সফলতা নির্ভর করবে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন করে তাঁদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার উপর। তবে দু:খজনক হলেও সত্য যে ফ্যামেলি কার্ড নিয়ে নানা অনিয়মের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে- স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ, তথ্যের অসংগতি, প্রকৃত দরিদ্র পরিবারের বাদ দিয়ে পছন্দের ব্যক্তিকে কার্ড প্রদান, কার্ড প্রদানে ঘুষ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের বিবেচনার বিষয়গুলো এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এসব ঝুঁকি হ্রাস করে সরকারের এই উদ্যোগ যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নে গ্রাম সরকার স্থানীয় পর্যায়ে তথ্য যাচাই, কার্ডের ঘুষ দুর্নীতি রোধ, রাজনৈতিক বিবেচনা পরিহার, উপকারভোগীদের প্রকৃত অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং অভিযোগ গ্রহণের একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে কাজ করতে পারেন।

কৃষি, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গ্রাম সরকারের ভূমিকা

আমাদের দেশের ৭০-৮০ ভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করেন ফলে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হচ্ছে কৃষি। কৃষকের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার সাথে ডিজেল, সার ও বীজের প্রাপ্যতা এবং সেচব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করার মাধ্যমে কৃষি ও কৃষকের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব। দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির টেকসই উন্নয়ন করতে হলে কৃষি ও কৃষকের বিষয়ে সরকারকে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইতোমধ্যে সরকার কৃষক কার্ডের ব্যবস্থা করেছে এবং সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সংগঠিত খরা, বন্যা, তাপপ্রবাহ, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা এবং বৃষ্টিপাতের ধরণ পরিবর্তন আমাদের জীবন ও জীবিকাতে প্রতিনিয়ত প্রভাব ফেলছে। এই সংকটকে শুধু মাত্র পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না বরং এর সঙ্গে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা বিঘ্নিত, কর্মসংস্থান হ্রাস ও দারিদ্র্যতার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

ফলে, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, নদী-খাল খনন, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, বাজারসংযোগ স্থাপন ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গ্রাম সরকার উদ্যোগী হতে পারে। এতে কৃষকরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা পাবেন। যথাসময়ে সার, বীজ ও ডিজেলের প্রাপ্যতা নিশ্চিত হবে যা আমাদের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আমদানির উপর নির্ভরতা কমাবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করতে পরিবেশগত উন্নয়ন ও জলবায়ুসহিষ্ণু কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে কৃষি ভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি হবে যা বেকারত্ব সমস্যা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা

নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিতে গ্রাম সরকার কাজ করতে পারে। দেশের গ্রামাঞ্চলে চুরি, ডাকাতি, কিশোর গ্যাং, মাদক, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, ইভটিজিং, যৌতুক, বাল্যবিবাহ, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ লেগেই থাকে যা সামাজিক সহিংসতা বৃদ্ধি করছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার। গ্রাম সরকার এখানে সহায়তার ভূমিকা রাখতে পারে। সবার প্রচেষ্টার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ করানো গেলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে। এতে ধর্ষণ, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং এর দৌরাত্ম কমে যাবে অন্যদিকে
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। যা নাগরিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে আবার গ্রামীণ জনপদে ব্যবসা-বানিজ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পরিবেশও বজায় থাকবে।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ

শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড বলা হয়। ফলে যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা গেলে সমাজের নানা অসঙ্গতি দূর করা সম্ভব। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও মান নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো উদ্যোগ নিচ্ছেন। অন্য দিকে স্বাস্থ্য সেবা মান নিম্ন পর্যায়ে। কিন্তু মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা বিশেষ করে মা, শিশু ও প্রবীণদের স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন এবং দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মের ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ক্ষেত্রে গ্রাম সরকার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে পারে। যেমন: শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার রোধ, স্কুলে যাতায়াতের নিরাপদ ব্যবস্থা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা। গ্রাম সরকার স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করতে পারে।

বেকার শিক্ষিত যুবকের কারিগরি ও উদ্যোক্তা তৈরির প্রশিক্ষণে উদ্বুদ্ধকরণ, নারীদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হাঁস-মুরগী পালন ও হস্তশিল্প খাতে কর্মের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। প্রয়োজনে বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও এর সহায়তায় ঋণের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন গ্রাম সরকার। এ পদক্ষেপগুলো গ্রামের মানুষের উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা ও জীবিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে। যা একটি সুষ্ঠু ও মানবিক সমাজ গঠনের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

পরিবেশ বান্ধব স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, বৃক্ষ রোপণ ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি

প্রতিটি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয় থাকে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের মাধ্যমে নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করা। বর্তমান সরকারও একটি উন্নত দেশ গঠনের মাধ্যমে সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকারকে আধুনিক যুগোপযোগী রেল ও সড়ক যোগাযোগের দিকে নজর দিতে হবে। এছাড়াও সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে। ড্রেনেজ ও পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থার পরিবেশ বান্ধব করতে হবে। এবং প্রতিটি অবকাঠামো নির্মাণ পরিবেশের উপর কতটা প্রভাব ফেলবে সে বিষয়ে মূল্যায়ন করতে হবে।

বর্তমান সরকার বৃক্ষ রোপণের উপর জোর দিয়েছেন। আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচির হাতে নিয়েছে সরকার। আমরা জানি, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ভূমি ক্ষয় রোধ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পিত ভাবে বৃক্ষরোপণ করা গেলে আমাদের জলবায়ু, পরিবেশ ও অর্থনীতি উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এখানে গ্রাম সরকার বৃক্ষ রোপণ ও গ্রামীণ উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জনমুখী করতে সহায়তা করতে পারে।

গ্রামকেন্দ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের গড়তে এবং সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে গ্রাম সরকার একটি সম্ভাবনাময় প্রাতিষ্ঠান হতে পারে। সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজগুলো বেগবান করে আরো জনবান্ধন ও সুফল মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে গ্রাম সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম। ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান সহ প্রতিটি জনবান্ধব কার্যক্রমে গ্রাম সরকারের সমন্বিত ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

লেখক: অফিসার, ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজ, নারায়ণগঞ্জ

The post ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়ন: গ্রাম সরকার হতে পারে গ্রামীণ উন্নয়নের অনুঘটক first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.