বিশ্ববিদ্যালয়ে ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য আলোচনা

ইউএফটিবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

  • ইউএফটিবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা অনুষ্ঠিত
  • অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপাচার্য ড. মোক্তার
  • ঐক্য ও সম্প্রীতি গড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা

ইউএফটিবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৪  

স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস রূপান্তরে এবং বিজ্ঞান-প্রযুক্তিভিত্তিক তরুণ সমাজ গঠনে ঐতিহাসিক দিনগুলোর আদর্শিক চর্চা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সেই সূত্র ধরে ৭ নভেম্বর, শনিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশে (ইউএফটিবি) বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দা জাকিয়া নাঈমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: মোক্তার আলী।

অনুষ্ঠানে ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক মো: আশিকুচ্ছালেহীন প্রধান আলোচক হিসেবে তথ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এডুকেশনাল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো: আশরাফুজ্জামানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাকিব হোসেন, প্রভাষক মো. মাসুদ রানা, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আতাউর রহমান খান, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. ইউনুছ পাটওয়ারী এবং সহকারী নেটওয়ার্ক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বিমলেশ সাহা তাদের বক্তব্য জানান। এ

ছাড়া শিক্ষার্থীদের পক্ষে ইন্টারনেট অব থিংস অ্যান্ড রোবটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত আল হুজাইফা ও তাহমিদ হোসেন নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোক্তার আলী বলেন, “জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছে। এ দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও জাতীয় জীবনে এর প্রভাব নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।”

তিনি আরও বলেন, “ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতি একটি রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রার অন্যতম ভিত্তি। মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং দেশের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চর্চা গড়ে তুলতে হবে।”

বক্তব্যের এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দায়িত্বশীলতার চর্চা জোরদারের ওপর জোর দেন উপাচার্য।

 //ডিবিটেক/এসএইচআইবিডি/ডিসিই/এফওই//