ডিজিটাল পণ্য পাসপোর্ট, ট্রেসেবিলিটি ও টেকসই উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব
ফুটওয়্যার-চামড়াজাত পণ্যে ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি জোরদারে রূপরেখা
ফুটওয়্যার ও চামড়াজাত পণ্য খাতে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ট্রেসেবিলিটি, ডিজিটাল পণ্য পাসপোর্ট এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থা বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে ঢাকায় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সরকারি প্রতিনিধি, শিল্প উদ্যোক্তা, উন্নয়ন সহযোগী ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও চামড়াজাত পণ্য খাতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বাড়াতে ট্রেসেবিলিটি ও ডিজিটাল পণ্য পাসপোর্ট বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকার গুলশানের একটি হোটেলে এফএলএএক্সএ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি, ‘ট্রেসেবিলিটি টু ট্রান্সপারেন্সি: রোডম্যাপ টু ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট ইন দ্য ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদারগুডস সেক্টর’ শীর্ষক সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে ফুটওয়্যার ও চামড়াজাত পণ্য খাতের ট্রেসেবিলিটি, টেকসই উন্নয়ন এবং ডিজিটাল নীতিপালনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুতকারক, সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতা, উন্নয়ন সহযোগী ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিল্ড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বেগম ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বচ্ছতার পথে ট্রেসেবিলিটি’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়নের নতুন বাস্তবতায় বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ট্রেসেবিলিটি ক্রমেই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হয়ে উঠছে।
সেমিনারের প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রহিম খান, র্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি এবং এফএলএএক্সএর পরিচালক ইবনুল ওয়ারা।
আলোচনা পরিচালনা করেন এফএলএএক্সএর সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর। প্যানেলে পুরো খাতে ট্রেসেবিলিটি এবং ডিজিটাল পণ্য পাসপোর্ট কাঠামো বাস্তবায়নের সুযোগ, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সেমিনারে ‘টেকসই চামড়া শিল্পে ইলেকট্রনিক ট্রেসেবিলিটি: বাংলাদেশ পরীক্ষামূলক কর্মসূচির অভিজ্ঞতা’ এবং ‘ডিজিটাল পণ্য পাসপোর্টের পথে’ শীর্ষক দুটি কারিগরি উপস্থাপনাও করা হয়।
আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশের ফুটওয়্যার ও চামড়াজাত পণ্য খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের নতুন নীতিগত চাহিদা পূরণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
//ডিবিটেক/এফএএস/টিওএম//





