ডিজিটাল নকল হতে পারবে না, গুজব ছড়ালে প্রমাণ দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
“ডিজিটাল নকল হতে পারবে না। লেখাপড়াকে ফেসবুকের চোখে দেখতে চাই না। কেউ গুজব ছড়ালে সঙ্গে সঙ্গে তাকে আইনের আওতায় এনে দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে হবে। প্রমাণ দিতে না পারলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) খুলনা বিভাগীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব কথা বলেন।
‘সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ গ্রহণের লক্ষ্যে’ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো পেছনের দিকে তাকিয়ে নয়, বরং সামনে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার কাজ করছে।
সভায় শিক্ষক সংকট ও নিয়োগ জটিলতার বিষয় তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। শিক্ষাসংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা আদালত প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভাইভা নেওয়ার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা থাকলেও আপাতত তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
সরকারের শিক্ষা পরিকল্পনা তুলে ধরে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতসহ শিক্ষায় এবারের বাজেটে রেকর্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের বড় অংশ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি কওমি শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ফারুখে আযম মু. আব্দুস সালাম। বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান সামসুল আলম মনা প্রমুখ।
সভায় খুলনা সিটি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শিক্ষাকে নতুন ধারায় নিয়ে যেতে হবে। শুধু পরীক্ষায় পাস নয়, শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য বিভাগীয় শিক্ষা সচিবালয় গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
//ডিবিটেক/এসএইচ/আইএইচ//





