রক্ষণাবেক্ষণে বিপাকে আবেদনকারীরা
মাইগভ ডাউন, ৪৪০ সরকারি সেবায় বিড়ম্বনা
- রেবিবার থেকে বন্ধ মাইগভ, মঙ্গলবার সকালেও প্রবেশ করা যায়নি
- প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষ প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করেন
- নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনে ডোমেইন ও ওয়েবসাইটের সংস্করণ হালনাগাদ হচ্ছে
সরকারি সেবা পাওয়ার একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম মাইগভের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় আটকে গেছে বিভিন্ন আবেদন, নথি জমা ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাজ। প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষ এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেবা নিয়ে থাকেন। ওয়েবসাইটটির কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনের কাজ চলায় সেবা নিতে গিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আবেদনকারীরা।
রোববার থেকে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৭টা পর্যন্ত সাইটে প্রবেশ করা যায়নি। ওয়েবসাইটে ঢোকার চেষ্টা করলে ‘ওয়েব সার্ভার ডাউন’ বার্তা দেখা যাচ্ছে। প্ল্যাটফর্মটির ফেসবুক পেজে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনের জন্য ওয়েবসাইটের সংস্করণ ও একাধিক ডোমেইন হালনাগাদ করা হচ্ছে। কয়েক দফা পরীক্ষা শেষে মঙ্গলবারের মধ্যেই সেবা চালু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা চালু হবে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় জরুরি নথি জমা দেওয়া ও সংগ্রহ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আবেদনকারীরা। ই-অ্যাপোস্টিলের জন্য নথি জমা দেওয়া শাহরিয়ার অর্ণব জানান, পরদিনই তাঁর নথি প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় সময়মতো কাজ শেষ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, সাইবার নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা এবং আবেদনকারীদের সুবিধার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী সময়সীমা বাড়ানো জরুরি।
অ্যাসপায়ার টু ইনোভেশন (এটুআই) উদ্যোগের আওতায় পরিচালিত মাইগভ প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৪৪০টি সরকারি সেবা রয়েছে। এর মাধ্যমে ই-অ্যাপোস্টিল, জমিসংক্রান্ত সেবা, বিভিন্ন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স এবং অনুমতি ও অনুদানের জন্য আবেদন করা যায়। ফলে ওয়েবসাইটটি বন্ধ থাকায় একাধিক ধরনের সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে।
//ডিবিটেক/বিটিএন/এসএমই/এমভিএনও//





