চীনের জাতীয় দিবস উদযাপনে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনকে সংবর্ধনা; টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল রূপান্তরে বৃহত্তর সহযোগিতার আহ্বান

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক ও প্রযুক্তি অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের প্রত্যাশা

  • গুলশান ক্লাবে ‘বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক ও গণসংযোগ কেন্দ্র’র উদ্যোগে চীনের জাতীয় দিবস ও রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সংবর্ধনা
  • স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান দুই দেশের সম্পর্ককে বহুমাত্রিক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন
  • আধুনিক টেলিযোগাযোগ, নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক ও প্রযুক্তি অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের প্রত্যাশা
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২৯  

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার, বহুমাত্রিক এবং ভবিষ্যৎমুখী তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সম্প্রসারিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক ও গণসংযোগ কেন্দ্র’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘চীনের জাতীয় দিবস’ উদযাপন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এছাড়া অনুষ্ঠানে দুই দেশের কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ-চীন সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক ও গণসংযোগ কেন্দ্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, "চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও অকৃত্রিম বন্ধু। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম থেকেই চীনের সঙ্গে সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন। বিগত প্রায় চার বছর বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অবকাঠামো ও টেলিযোগাযোগসহ বিভিন্ন জাতীয় খাতে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা দিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদান আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশের আধুনিক টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো বিনির্মাণে চীনের প্রযুক্তিগত অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি, ফাইভ-জি সম্প্রসারণ, সাবমেরিন কেবল ও ডাটা নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও প্রকৌশলগত সক্ষমতা কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে। সামনের দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং টেলিযোগাযোগ খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দুই দেশের যৌথ প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও গভীর হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সরকার ও জনগণের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, চীন সবসময় বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল রূপান্তরে অংশীদার হিসেবে কাজ করে যাবে।
//ডিবিটেক/এইচএমসি/এসএমই/এমআইএসটি//