ডি-নথির প্রসার ও পুরোনো নথি আর্কাইভে নেওয়ার উদ্যোগ; ১৮৩ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ

তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: উপাচার্য আমানুল্লাহ

  • আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক দাফতরিক কার্যক্রম পুরোপুরি পেপারলেস করার ঘোষণা উপাচার্যের
  • ডি-নথি ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি পুরোনো নথিগুলো ডিজিটাল আর্কাইভে রূপান্তর করা হবে
  • মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের কর্মশালা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তাকে দেওয়া হলো সনদ

তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: উপাচার্য আমানুল্লাহ
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:০০  

আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দাফতরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ কাগজবিহীন বা পেপারলেস (Paperless) করার কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। একই সাথে পুরোনো গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলো স্থায়ীভাবে ডিজিটাল আর্কাইভে সংরক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ডি-নথির ব্যবহার আরও বিস্তৃত করার কথা জানান তিনি।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে ‘এনহ্যান্স টেকনিক্যাল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্কিলস ফর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফিশিয়ালস’ শীর্ষক এই দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তাকে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, “আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি পেপারলেস হচ্ছে। ডি-নথির বিষয়ে ইতিমধ্যে যারা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, তাঁদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো নথিগুলো দ্রুত আর্কাইভে স্থানান্তর করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক গতিশীলতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও যোগ করেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত আধুনিক ও কারিগরি জ্ঞান সরাসরি কাজে প্রয়োগ করা গেলে দাফতরিক কাজের গতি বাড়ার পাশাপাশি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন। অতিথিবৃন্দ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছান, বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
//ডিবিটেক/ বিএনওএনইউ/এসএমই/বিপিও//