স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে টাওয়ার ছাড়াই মুঠোফোনে নেটওয়ার্ক দেওয়ার আবেদন বাংলালিংকের
বাণিজ্যিক ডিটুসি সেবা চায় বাংলালিংক
- দুর্গম এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক পৌঁছাতে 'ডিরেক্ট-টু-সেল' (ডিটুসি) সেবা চালুর অনুমতি চেয়ে বিটিআরসিতে আবেদন বাংলালিংকের।
- স্টারলিংকের সঙ্গে মে মাসে চালানো পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে টেলিকম অপারেটরটি।
- অনুমোদনের আইটিইউ নীতি ও বিটিআরসির বর্তমান আইএমটি নির্দেশিকার বিধিনিষেধের চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
দেশের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, চর, দ্বীপ ও সাগরে থাকা মানুষকে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে ‘ডিরেক্ট-টু-সেল’ (ডিটুসি) সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালু করতে চায় টেলিকম অপারেটর বাংলালিংক। স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংক’-এর সঙ্গে অংশীদারত্বে গত মে মাসে সফলভাবে চালানো পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের পর গত ১২ আগস্ট বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের আবেদন করেছে তারা।
ডিটুসি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনের সংকেত সরাসরি স্যাটেলাইটে পৌঁছে যায়, যা পরবর্তীতে গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে অপারেটরের মূল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়ে ডেটা আদান-প্রদান করে। এর ফলে টাওয়ারের কোনো সুবিধা না থাকলেও সাধারণ ফোর-জি প্রযুক্তির হ্যান্ডসেট ব্যবহারকারীরা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এসএমএস ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পাবেন।
বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তৈমুর রহমান জানান, অনুমোদন পেলেই বিদ্যমান মোবাইল সার্ভিসেস লাইসেন্সের আওতায় দ্রুততম সময়ে এই সেবা চালু করা হবে।
তবে পরিষেবাটি চালুর ক্ষেত্রে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় রেগুলেটরি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) ডিটুসি সেবায় ব্যবহৃত স্পেকট্রাম অনুমোদন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ২০২৭ সালের ওয়ার্ল্ড রেডিওকমিউনিকেশন কনফারেন্সে (ডব্লিউআরসি)। এ ছাড়া বিটিআরসির এনজিএসও স্যাটেলাইট সার্ভিস নির্দেশিকায় স্যাটেলাইট ও স্থলভিত্তিক আইএমটি সেবা প্রদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
এ বিষয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, বাংলালিংকের জমা দেওয়া ট্রায়াল রিপোর্টের চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষে কমিশন এই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
//ডিবিটেক/নাফিসা আঞ্জুম/ সম্পাদনা//





