ঝুঁকিপূর্ণ ব্লকের কক্ষ খালি করে বিকল্প আবাসনের উদ্যোগ

শাবিপ্রবির ছাত্রী হলে ফাটল, সরানো হলো শিক্ষার্থীদের

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়েশা সিদ্দিকা হলের একটি ব্লকে দেয়ালে ফাটল দেখা দেওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষগুলো খালি করে শিক্ষার্থীদের বিকল্প আবাসনে স্থানান্তর শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।

শাবিপ্রবির ছাত্রী হলে ফাটল, সরানো হলো শিক্ষার্থীদের
২৬ জুন, ২০২৬ ০০:০৫  

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) প্রথম ছাত্রী হল আয়েশা সিদ্দিকা হলের একটি ব্লকে দেয়ালে ফাটল দেখা দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কক্ষগুলো খালি করে শিক্ষার্থীদের বিকল্প আবাসনে স্থানান্তর শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

হল প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সি ব্লকের তৃতীয় তলার ৩২২ থেকে ৩২৫ এবং চতুর্থ তলার ৪২২ থেকে ৪২৬ নম্বর কক্ষে দৃশ্যমান ফাটল শনাক্ত হয়েছে। প্রাথমিক মূল্যায়নে এসব কক্ষকে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে মোট ৩৬ জন শিক্ষার্থীকে জরুরি ভিত্তিতে অন্য কক্ষে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত তাদের অতিথিকক্ষ, টিভি রুম এবং স্নাতকোত্তর শেষ করা শিক্ষার্থীদের খালি আসনে রাখা হচ্ছে।

হল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হলের ফাঁকা আসন অথবা উপযুক্ত কক্ষে পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে। দৃশ্যমান ফাটল থেকে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে প্রকাশিত এক নোটিশে ঝুঁকিপূর্ণ সি ব্লকের বাসিন্দাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিথিকক্ষ, লন্ড্রি কক্ষ ও ডি ব্লকের রিডিং রুমে স্থানান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শনের পর এ সিদ্ধান্ত নেন।

তবে আকস্মিক স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্বস্তি ও আবাসনসংক্রান্ত ভোগান্তির অভিযোগও উঠেছে। কয়েকজন শিক্ষার্থী দ্রুত স্থায়ী ও উপযুক্ত কক্ষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা বিভাগ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বিবেচনায় স্থানান্তর প্রয়োজন ছিল এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা মূল্যায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

//ডিবিটেক/এফআরবি/ইকে//