সীমিত জমিতে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি সম্প্রসারণে প্রান্তিক কৃষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি
কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিতে আদা-পেঁয়াজ চাষের প্রশিক্ষণ দিল শেকৃবি
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে কেরানীগঞ্জে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বস্তায় আদা চাষ প্রযুক্তি ও আধুনিক পেঁয়াজ উৎপাদন বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয় বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি উন্নয়ন ছিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
প্রান্তিক কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত করতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি)। ২১ জুন, রবিববার ঢাকার কেরানীগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ‘বস্তায় আদা চাষ প্রযুক্তি এবং পেঁয়াজ উৎপাদনের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা আনয়ন’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
শেকৃবির বহিরাঙ্গন কার্যক্রম বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া শারমিন মুনমুন।
প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. শরীফুল ইসলাম এবং বি-স্ট্রং প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার ও অতিরিক্ত পরিচালক (প্রেষণে) মো. নাসির উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেকৃবির বহিরাঙ্গন কার্যক্রম বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জামশেদ আলম। তিনি বলেন, কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন বলেন, সীমিত জমিতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বস্তায় আদা চাষ এবং উন্নত পদ্ধতিতে পেঁয়াজ উৎপাদন প্রান্তিক কৃষকদের জন্য লাভজনক ও টেকসই উদ্যোগ হতে পারে। এ ধরনের প্রযুক্তি উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের বস্তায় আদা চাষের ব্যবহারিক কৌশল, পেঁয়াজ উৎপাদনের আধুনিক ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণ বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃষকদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই কৃষি উন্নয়ন নিশ্চিত করাই এ ধরনের কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
//ডিবিটেক/জেএন/এসআই//





