মাছের ক্রায়োপ্রিজারভেশন গবেষণায় অবদানের জন্য বাকৃবি শিক্ষকের স্বর্ণপদক অর্জন

জাতীয় মৎস্য পদক পেলেন ড. রফিকুল

  • মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও বিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে 'জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)' অর্জন

জাতীয় মৎস্য পদক পেলেন ড. রফিকুল
১৯ আগষ্ট, ২০২৬ ২০:৪০  

মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও বিজ্ঞান চর্চায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)’ লাভ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক ডিন ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম সরদার। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে তিনি নিজেই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধ্যাপক ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম সরদারের হাতে ‘জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ (স্বর্ণপদক)’ এবং সম্মাননা সনদপত্র তুলে দেন।

নিজের উদ্ভাবন ও গবেষণার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, "আমার মূল গবেষণার ক্ষেত্র হলো মাছের স্পার্ম সংরক্ষণ বা 'ক্রায়োপ্রিজারভেশন'। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশেষভাবে স্পার্ম দীর্ঘ মেয়াদে সংরক্ষণ করে পরবর্তীতে মাছের ডিম নিষিক্ত করা হয় এবং তা থেকে উন্নত গুণগত মানসম্পন্ন ব্রুড বা মা-মাছ তৈরি করা সম্ভব হয়।"

তিনি আরও জানান, গবাদিপশুর মতো মাছের ক্ষেত্রেও কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তি প্রয়োগ করে মানসম্পন্ন মা-মাছ তৈরির মাধ্যমে দেশের মৎস্য উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব।

প্রসঙ্গত, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোট ১৩টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন সফল চাষি, উদ্যোক্তা, খামারি ও গবেষককে জাতীয় মৎস্য পদক দেওয়া হয়। এর মধ্যে সম্মানজনক 'গবেষক' ক্যাটাগরিতে বাকৃবির এই অধ্যাপক স্বর্ণপদক লাভ করেন। এই মর্যাদাপূর্ণ প্রাপ্তি তাঁকে ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়নে আরও নিবেদিতভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

//ডিবিটেক/আরাফাত হোসাইন/এমআইএস//