লাল পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবসহ অনেকেই
মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবসহ (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্তত ১২ জন নীতি নির্ধারক নিজেদের কূননৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন।
পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেলেও বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, দায়িত্ব পরবর্তী সময়ে বিদেশ ভ্রমণে আইনি বা দাপ্তরিক জটিলতা এড়াতেই এই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। আগাম লাল পাসপোর্ট সমর্পনকারীদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন থাকার গুঞ্জন শোনা গেলেও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এই তথ্য নাকচ করেছেন।
এই তালিকায় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম; সরকারের পূর্ণাঙ্গ সচিব ও হাইকোর্টের কয়েকজন বিচারকের কথা জানা গেছে। তবে যাদের নাম এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে তাদের কেউ এই খবর নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে দায়ীত্বশীল এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ার পর থেকে কূটনৈতিক পাসপোর্টের মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়েছে। তবে, পদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই পাসপোর্টের কার্যকারিতা বিশেষ নিয়মের অধীনে চলে আসে। দায়িত্ব শেষে পাসপোর্ট হস্তান্তর করতে হয়। সে ক্ষেত্রে দায়িত্ব শেষের আগে আগেভাগে আবেদন করে রাখলে পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াগুলো সহজ হয়। সেই দিক দিয়ে যারা এমনটা করেছেন সেটা দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।
ডিবিটেক/এসইউ/এমইউ



