অর্ধলক্ষাধিক দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে শেষ ষষ্ঠ ডিডিআই এক্সপো

অর্ধলক্ষাধিক দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে শেষ ষষ্ঠ ডিডিআই এক্সপো
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫  

চার দিনের জমজমাট আয়োজন শেষে গামীতে আরও বড় পরিসরে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোর সপ্তম আসর করার কথা জানিয়েছেন ষষ্ঠ আসরের আয়োজকরা। আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি সূত্রে প্রকাশ, বেচাকেনা ও দর্শনার্থীর উপস্থিতি-দুটো নিয়েই তারা সন্তুষ্ট। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা। মেলায় শেষ দিন ৩১ জানুয়ারি, শনিবার পর্যন্ত অর্ধলক্ষাধিক দর্শনার্থী নিবন্ধন করে প্রবেশ করেছেন। 

চার দিনব্যাপী মেলায় অর্ধশতাধিক স্টল ও গোটা দশেক প্যাভিলিয়ন দেখা গেছে। ইন্টারনেট সেবা দিয়েছে স্টারলিংক। অনুষ্ঠিত হয়েছে ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্ট।মেলায় অংশ নেওয়া একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এবারের আয়োজনে বিক্রয় প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে। তারা মনে করছেন, প্রযুক্তিপণ্য নিয়ে এ ধরনের মেলা ক্রেতা ও বিক্রেতা-উভয়ের জন্যই কার্যকর একটি প্ল্যাটফর্ম। আগামী দিনে আরও বড় আয়োজন নিয়ে অংশগ্রহণের আশাবাদও ব্যক্ত করেন তারা।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) মহাসচিব ও ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬ এর আহ্বায়ক মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন,  “মেলা নিয়ে আইসিটি বিভাগের সবার মুখে আমরা হাসি দেখেছি-এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এটাই আমাদের সাফল্য।”

মেলা পরিদর্শন করে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহম্মদ তৈয়্যব, আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং আইসিটি বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইফুল হাসান-সবাই মেলার সার্বিক আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি।

দর্শনার্থীদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, পুরো প্রদর্শনীতে প্রায় তিন লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছে। শুরুতে তিন লাখ দর্শনার্থী মেলায় আসবে-এমন প্রত্যাশা ছিল। যদিও পুরোপুরি সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, তবে সংখ্যাটি প্রত্যাশার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে তিনি মনে করেন।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান টেকটাইমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব আরাফাত বলেন, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি পেয়েছি। ছয় বছর পরে এধরনের মেলা আবার হলো। আয়োজকদের কাছে আবেদন জানাব এধরনের মেলা বছরে দুইবার আয়োজন করা হোক। এতে করে ক্রেতাদের এনগেজমেন্ট বাড়বে।

অনার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিজনেস হেড আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সাড়া খুবই ভালো। দামি ফোন ভালো যাচ্ছে। কম দামি ফোন প্রথম দুই দিনেই শেষ হয়ে গেছে।

ডিএক্স গ্রুপের অন্যতম পরিচালক লিটন বিশ্বাস জানান, তার প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকার পণ্য বিক্রি করেছে। তিনি বলেন, আমরা খুবই খুশী। ভবিষ্যতে এরকম মেলা আরও চাই।

লেনোভো ল্যাপটপের চ্যানেল ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার প্রতাপ সাহা বলেন, সাড়া ভালো। অনেক দিন পরে মেলা হওয়ায় দর্শক সমাগম ছিল সন্তোষজনক। বিক্রির পাশাপাশি ব্র্যান্ডিংটা অনেক ভালো হয়েছে। আমরা অনেক কোয়েরি পেয়েছি। অনেকে প্রোডাক্টের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে।

এসার ল্যাপটপের চ্যানেল কনসালটেন্ট (কমার্শিয়াল বিজনেস) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, এসার ল্যাপটপ নিয়ে আমরা ভালো সাড়া পেয়েছি। আমাদের ব্র্যান্ডিংটা ভালো সাড়া ফেলেছে। ল্যাপটপ বিক্রির অনেক ফরমায়েশ পেয়েছি।

ডিবিটেক/ইউজি/ইক