বাংলাদেশকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও টিকা দিল সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন
বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও টিকা অনুদান দিয়েছে চীনের দাতব্য প্রদিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। অনুদান হিসেবে দেওয়া টিকাটি হলো ডব্লিউএইচও অনুমোদিত ‘পোলিওমাইলাইটিস ভ্যাকসিন (ভেরো সেল, ইনঅ্যাকটিভেটেড সাবিন স্ট্রেইন)’ বা এসআইপিভি। মোট ৭৬ হাজার ভায়ালে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।
১৩ মে, বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টিকা হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টিকা গ্রহণ করেন সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। টিকা গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, আজকে চীনা কোম্পানি সিনোভ্যাক চায়না সরকারের এনড্রোসমেন্টসহ ৭৬ হাজার ৬১৬ ভায়াল, যা ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৮০ ডোজের সমপরিমাণ ভ্যাকসিন হাতে পেয়েছি। আমাদের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন রয়েছে। আমরা পোলিও ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করব। এটাতে কোনো অসুবিধা হবে না। আমরা অ্যান্টির্যাবিস টিকাও দেওয়া শুরু করছি। একটা রোগীও এই ভ্যাকসিনের বাইরে থাকবো না। প্রতিটা ভ্যাকসিন এখন চলছে। ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু শর্ট আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-এ পেয়ে যাবো। পূর্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন-এ দেবো। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না।
মন্ত্রী বলেন, যেসব বাচ্চারা টিকার আওতায় আসেনি তাদেরকে খুঁজে খুঁজে আমরা টিকা দেব। আমাদের রুটিন ইপিআই চলমান রয়েছে। টিকা নিয়ে কি ভুল করেছে সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়ের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি৷
টিকা নিয়ে অব্যবস্থাপনা যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করবেন কিনা, এমন প্রশ্ন উত্তরে মন্ত্রী বলেন, তদন্ত করবো না সেটা বলিনি। এখন আমার সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব।
এ সময় বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেড-এর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই অনুদান দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে সহায়তা করবে।



