ষষ্ঠ গ্রাহক শুনানিতে ফাইবার ব্যাংক ও অভিযোগ নিষ্পত্তি পোর্টাল গঠনের ইঙ্গিত বিটিআরসি'র

ষষ্ঠ গ্রাহক শুনানিতে ফাইবার ব্যাংক ও অভিযোগ নিষ্পত্তি পোর্টাল গঠনের ইঙ্গিত বিটিআরসি'র
২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০৯  

প্রায় শতেক গ্রাহক, সাংবাদিক ও স্টেক হোল্ডারের অংশ গ্রহণে দ্বিতীয় বারের মতো ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ষষ্ঠ গণশুনানি।  শুনানিতে যথারীতি মোবাইল ইন্টারনেটের ডেটার দাম কমানো, ব্রডব্যান্ড ফাইবারাইজেশনের ঘাটতি, এনটিটিএন প্রাইস কমানো ও মোবইলে উচ্চ কর প্রত্যাহারের দাবি করেন গ্রাহকরা।  

২৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টা থেকে ১১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত সিনেসিস আইটি'র তৈরি এআই ভিত্তিক ভার্চুয়াল মিটিং প্লাটফর্ম কনভে-তে শুনানিতে সভাপতিত্ব করেন বিটিআরসি'র ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবু বকর ছিদ্দিক। 

সংস্থার লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং ও স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আমিনুল হক শুনানি পরিচালনা করেন। এসময় লিগ্যাল অ্যান্ড লাএসন্সিং বিভাগের কমিশনার আবদুর রহমান সরদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজ উপস্থিত ছিলেন। 

শুনানিতে আগে থেকে নিবন্ধিত গ্রাহকরা দেড় বছর পর ফের টেলিকম সেবা নিয়ে তাদের দুর্ভোগ ও অভিযোগ তুলে ধরার পাশাপাশি কিছু পরামর্শও দিয়েছেন। অভিযোগে কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে এমএনপি সুবিধা নেয়ার বিড়ম্বনা, আইএসপি রিসেলার পর্যায়ে পেশিশক্তির প্রভাব, ১১ মাস পরে সিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকে অবহিত না করা,  অনুমতি ছাড়াই ভ্যাস সার্ভিসে না জানিয়ে টাকা কাটা বিষয়ে অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা। 
 
শুনানিতে উঠে আসে তিন মোবাাইল অপারেটরের অডিট বকেয়া প্রসঙ্গ; গ্রামীণ ফোনে বাজারে অসম প্রতিযোগিতা; টেলিটক এর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং অ্যাপে ভিওআইপি কল চালুর বিষয়।  

শুনানির বিভিন্ন পর্যায়ে গ্রাহকদের বিভিন্ন পরামর্শের ভিত্তিতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মান বাড়াতে শিগগিরই একটি ফাইবার ব্যাংক এবং গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম চালুর উদ্যোগ নেয়ার কথা জানানো হয় বিটিআরসি'র পক্ষ থেকে। এছাড়াও ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস বাড়িয়ে মোবাইল অপারেটরদের আয় বাড়ানোর পরামর্শ দেয়া হয় এক প্রশ্নের জবাবে। নতুন টেলিকম গাইড লাইন অনুযায়ী, গ্রাহকদের অনেক বিড়ম্বনা এবং সেবাদাতাদের প্রতিযোগিতা বাড়বে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।  
 
সভাপতির বক্তব্যে বিটিআরসি ভাইস চেয়ারম্যান মো. আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অনুযায়ী বিটিআরসি সব অভিযোগ চিহ্নিত করে কাজ করে। এক্ষেত্রে জনগণকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়। সেই লক্ষ্যেই শুনানিতে প্রাপ্ত অিভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সমাধানের জন্য কাজ করবেন।
সূত্রমতে, শুনানিতে অনলাইনে ১৫০০ অভিযোগ জমা পড়েছিলো। এদের মধ্য থেকে ভার্চুয়ালি প্রশ্ন করেছেন ১০-১২ জনের মতো।
ডিবিটেক/আইএইচ