নতুন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে প্রেনিউর ল্যাবের ‘স্টার্ট করো’
ব্যবসার ধারণা যাচাই, বাজার গবেষণা, গ্রাহকের চাহিদা নিরূপণ ও পণ্য তৈরির প্রাথমিক ধাপ নিয়ে প্রশিক্ষণ দিতে প্রেনিউর ল্যাব ইয়ুথ অ্যান্ড ইনোভেশন ট্রাস্ট আয়োজন করেছে ‘ক্যাম্পাস ইনকিউবেশন বুটক্যাম্প ও স্মার্ট পলিসি রিফর্ম ল্যাব’। এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও উদীয়মান উদ্যোক্তারা ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেন। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে […] The post নতুন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে প্রেনিউর ল্যাবের ‘স্টার্ট করো’ first appeared

ব্যবসার ধারণা যাচাই, বাজার গবেষণা, গ্রাহকের চাহিদা নিরূপণ ও পণ্য তৈরির প্রাথমিক ধাপ নিয়ে প্রশিক্ষণ দিতে প্রেনিউর ল্যাব ইয়ুথ অ্যান্ড ইনোভেশন ট্রাস্ট আয়োজন করেছে ‘ক্যাম্পাস ইনকিউবেশন বুটক্যাম্প ও স্মার্ট পলিসি রিফর্ম ল্যাব’। এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও উদীয়মান উদ্যোক্তারা ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রায় ৬০ জন শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তা অংশ নেন। প্রেনিউর ল্যাবের আয়োজনে এবং অ্যাটলাস নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজন ‘স্টার্ট করো সিজন-৫’-এর অংশ। এর আগে একই মডেলে সাভার, রংপুর, সিলেট ও বরিশালের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্টার্ট ২ স্কেলআপের পরিচালক আল-আমিন প্রান্ত এবং প্রেনিউর ল্যাবের অপারেশনস ও অ্যাডমিন প্রধান এম. আশরাফুল তানভীর মেন্টর হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন। অতিথি বক্তা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীরা আইডিয়া তৈরি, বাজার গবেষণা, গ্রাহকের চাহিদা নিরূপণ, পণ্য যাচাই এবং মিনিমাম ভায়াবল প্রোডাক্ট (এমভিপি) তৈরির বিষয়ে হাতে-কলমে কাজ করেন। পাশাপাশি ‘রিফর্ম ল্যাব’-এ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিদ্যমান নীতি ও নিয়ন্ত্রক পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করে তারা নিজেদের সুপারিশ তুলে ধরেন।
আয়োজকদের তথ্যমতে, চলতি বছর ‘স্টার্ট করো‘র পঞ্চম সিজনে এখন পর্যন্ত ৩৬৫ জনের বেশি উদ্যোক্তা যুক্ত হয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা ৬০টির বেশি নতুন ব্যবসা চালু করেছেন এবং প্রায় ২০০টি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
প্রেনিউর ল্যাব জানিয়েছে, শুধু উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ নয়, ব্যবসা পরিচালনায় লাইসেন্স, কর ও অর্থায়নে প্রবেশাধিকারের মতো বিষয়েও নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন। এ জন্য পাঁচটি রিফর্ম ল্যাবে অংশগ্রহণকারীরা ২৬০টির বেশি একক সুপারিশ জমা দিয়েছেন। এসব সুপারিশ সমন্বয় করে ব্যবসা নিবন্ধন, লাইসেন্সের মেয়াদ এবং এসএমই অর্থায়ন বিষয়ে একটি নীতি গবেষণাপত্র তৈরি করা হবে।
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে কর্মসূচির আওতায় চালু করা হয়েছে ‘স্টার্ট করো এআই হাব’। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত এই প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিবন্ধন, লাইসেন্স, কর ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনার বিষয়ে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করে। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১০০ জন উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করেছেন।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ইনকিউবেশন কার্যক্রম পাঁচটি শহর থেকে ১০টি শহরে সম্প্রসারণ এবং নীতি গবেষণাপত্র প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। তাদের লক্ষ্য ঢাকাকেন্দ্রিকতা কমিয়ে দেশজুড়ে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং এমন এক তরুণ প্রজন্ম তৈরি করা, যারা নীতি-সংলাপে অংশ নেওয়াকে ব্যবসা পরিচালনারই অংশ হিসেবে দেখবে।
The post নতুন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে প্রেনিউর ল্যাবের ‘স্টার্ট করো’ first appeared on Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment.





